© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, প্রতিরক্ষা চুক্তির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন করা হবে

শেয়ার করুন:
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, প্রতিরক্ষা চুক্তির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন করা হবে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:০৮ এএম | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ মুহূর্তে করা প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা-সংক্রান্ত চুক্তির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এ তথ্য জানান ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে কথা হয়েছে। জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে দুদেশের সম্পর্কের কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিষয়টিসহ অবাধ ও মুক্ত ভারত প্রশান্ত মহাসাগরের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সেই সঙ্গে সম্প্রতি দুদেশের মধ্যে সই হওয়া অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করছি।

জাপানের জনশক্তি রপ্তানি নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে সাইদা শিনিচি বলেন, আমরা জাপানে দক্ষ শ্রম ব্যবস্থা সম্পর্কেও কথা বলেছি। আমাদের জানানো হয়েছে, জাপানি ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ শ্রমিকের সংখ্যা বাড়ছে। আমাদের অবস্থানও একই, জাপানি ভাষা শিক্ষক প্রেরণ করে সরকার এবং বেসরকারি সংস্থাগুলোকে সহযোগিতা করছি। এ ছাড়া বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে আমরা জাপানি ভাষার প্রতিযোগিতাও করছি।

বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল ও মাতারবাড়ী প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন করলে রাষ্ট্রদূত বলেন, বৈঠকে আমরা অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছি। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করব না।

স্বার্থের বিরুদ্ধে হলে বিবেচনায় নেওয়া হবে গতকাল জাপানের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে জাপানের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের করা প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে নতুন সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন, বৈঠকে জাপানের রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেছেন, চুক্তি হয়েছে।

আমরা চুক্তিতে কী আছে ও অন্তর্বর্তী সরকার কী রেখে গেছে, দেখব। বিষয়টি দেখে আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব। চুক্তি যদি জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে হয়, তাহলে বাস্তবায়ন হতে পারে। আর স্বার্থের ভিত্তিতে না হলে আমরা বিবেচনা করব। 

‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’- এ পররাষ্ট্রনীতি থেকে কি বাংলাদেশ সরে গেছে? উত্তরে হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হবে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল কেন্দ্রে থাকবে দেশের মানুষের স্বার্থ, সার্বভৌম ও অখণ্ডতা। এইটাকে বজায় রেখে অভিন্ন সম্মান ও স্বার্থের মাধ্যমে আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কগুলো করব।

প্রথম বিদেশ সফরে সৌদি গেলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ওআইসির জরুরি বৈঠকে অংশ নিতে গতকাল রাতে সৌদি আরব গেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বৃহস্পতিবার জেদ্দায় অনুষ্ঠেয় মন্ত্রী পর্যায়ের ওই বৈঠকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিষয়ে আলোচনা হবে।

আরআই/এসএন

মন্তব্য করুন