রোজায় অ্যাসিডিটি এড়াতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই তিন খাবার
ছবি: সংগৃহীত
১০:৫৯ এএম | ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রোজার মাসে দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার পর অনেকেই অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে ইফতারে অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার খাওয়ার প্রবণতা এ সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলে। সাহরি ও ইফতারে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অম্ল তৈরি হয়, যা থেকে জ্বালাপোড়া, গ্যাস ও অস্বস্তির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। তাই রোজায় সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় কিছু উপকারী খাবার যোগ করার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদেরা।
অ্যাসিডিটি কমাতে সহজ ও কার্যকর একটি খাবার হলো কলা। প্রাকৃতিকভাবে ক্ষারধর্মী এই ফল পাকস্থলীর অতিরিক্ত অম্লকে সাম্যাবস্থায় আনতে সহায়তা করে। এতে থাকা পটাশিয়াম ও প্রাকৃতিক অম্লনাশক উপাদান পেটের ভেতরের আবরণকে সুরক্ষা দেয়। পাশাপাশি কলা শ্লেষ্মা উৎপাদন বাড়িয়ে পাকস্থলীর দেয়ালকে অম্লের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। প্রতিদিন সাহরি বা ইফতারে একটি পাকা কলা খেলে হজমপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হতে পারে।
ঠান্ডা দুধও অ্যাসিডিটির অস্বস্তি কমাতে কার্যকর বলে মনে করা হয়। দুধে থাকা ক্যালসিয়াম পাকস্থলীর অতিরিক্ত অম্ল উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে। এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ পেটের জ্বালাপোড়া কমিয়ে আরাম দিতে পারে। তবে যাঁদের দুধ হজমে সমস্যা রয়েছে, তাঁদের এ ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ ছাড়া প্রাকৃতিক পানীয় হিসেবে ডাবের পানি ইফতারের জন্য ভালো বিকল্প হতে পারে। ডাবের পানি শরীরকে দ্রুত সতেজ করে এবং পেটে জমে থাকা গ্যাস কমাতে সহায়তা করে। এতে থাকা প্রাকৃতিক খনিজ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান হজমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয়ের বদলে ডাবের পানি বেছে নিলে অ্যাসিডিটির ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, রোজায় অ্যাসিডিটি এড়াতে তেল-চর্বিযুক্ত খাবার কম খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। ঘন ঘন অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
এমকে/এসএন