© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

অভিনয়, রাজনীতি, কবিতা : শতাব্দী রায়ের বহুমুখী জীবন

শেয়ার করুন:
অভিনয়, রাজনীতি, কবিতা : শতাব্দী রায়ের বহুমুখী জীবন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:৫৪ এএম | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
অভিনেত্রী থেকে নেত্রী, নেত্রী থেকে কবি শতাব্দী রায়ের বহুমুখী জীবন আবারও আলোচনায় এসেছে। অভিনয় ও রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ততার মাঝেও কাব্যের জন্য সময় বার করেছেন তিনি।  শতাব্দী রায় প্রকাশ করেছেন, নিজেকে কতটা অভিনেত্রী আর কতটা নেত্রী মনে করেন এবং কবিতার প্রতি তাঁর অমলিন আগ্রহের গল্প।

দক্ষিণ কলকাতার ফ্ল্যাটের রোদে উজ্জ্বল বসার ঘরে ঢুকেই চোখ যায় সুন্দরভাবে সাজানো দেওয়ালজোড়া ছবির দিকে। ঘরের অন্য প্রান্তে রাখা বইয়ের তাক এবং কবিতার বই—যেখানে খুঁজে পাওয়া যায় তাঁর নিজস্ব লেখা। সাংবাদিককে স্বাগত জানাতে হাতজোড়ে এগিয়ে আসেন তিনি। ঘরের কোণে অসুস্থ পোষ্য সারমেয়কে কোলে নিয়ে সাদা সোফায় বসান, পোষ্যের প্রতি স্নেহভরা নজর রেখেই আলাপ শুরু করেন।

শতাব্দী রায় বলেন, ‘‘সেশন চললে বাড়িতে সময় দিতে পারি না। তাই পোষ্যই আমার কাছে আসে।’’ তিনি নিজের লেখা কবিতার বই থেকে কিছু অংশ পড়ে শোনান। রাজনীতি ও অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও কবিতা তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ পর্যন্ত ১২টি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে; প্রথম বই প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে, তখন তিনি বাংলা সিনেমার শীর্ষ অভিনেত্রী।



রাজনীতি ও অভিনয় দুটোই পূর্ণ মন দিয়ে করেন, তবে কবিতার জন্য বরাবরের মতো কম সময় পান। ‘‘সব কাজই ভালবাসা ও মন দিয়ে করি। কিন্তু রাজনীতির চাপের মধ্যে নিজের শিল্পচেতনাকে সময় দেওয়া সবসময় সম্ভব হয় না। এবার একটু সময় বের করেছি কবিতার জন্য,’’ তিনি বলেন। একক কবিতা পাঠের আসরেও নিজেই অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানে সিনেমা ও রাজনীতির বন্ধুদের সঙ্গে সহকর্মীরাও উপস্থিত থাকবেন।

নেত্রী হিসেবে ভোটের ব্যস্ততা থাকলেও কবিতার প্রতি ভালবাসা, সিনেমার প্রতি অনুরাগ এবং সংসার পরিচালনার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করছেন শতাব্দী। ‘‘আমি যতটা নেত্রী, এখনও ততটাই অভিনেত্রী। ছোটবেলায় বড় হয়েছি সিনেমা নিয়ে, বড় থেকে বুড়ো হয়েছি রাজনীতি করে,’’ তিনি জানান।

ফিল্মের বন্ধুদের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রেখেছেন, কলকাতার বাড়িতে নিজের হাতে সংসারের দায়িত্ব পালন করতে পছন্দ করেন। গাছ-মাছের যত্ন, পোষ্যের প্রতি স্নেহ—সব মিলিয়ে তাঁর জীবনে ৪-৪-৪-২ রকম ভারসাম্য বজায় থাকে। রাজনীতি, অভিনয়, সংসার—তিনটির মাঝেও কবির মনকে স্থান দিয়েছেন শতাব্দী।

এমকে/এসএন

মন্তব্য করুন