জেন জির স্টাইলে তামান্নার ফাইন জুয়েলারির আত্মপ্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত
১২:৩১ পিএম | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
বলিউড ও দক্ষিণী সিনেমার ব্যস্ত অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া এবার ফাইন জুয়েলারির দুনিয়ায় আত্মপ্রকাশ করেছেন। ‘তামান্না ফাইন জুয়েলারি’ নামের এই উদ্যোগ শুধু একটি গয়নার ব্র্যান্ড নয়, বরং নতুন প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন জি-এর জীবনধারার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এক দৃষ্টিভঙ্গি।
সাধারণত উৎসব বা বিশেষ উপলক্ষের ভারী অলংকারের বাইরে এসে এই ব্র্যান্ডে গুরুত্ব পেয়েছে প্রতিদিনের ব্যবহারযোগ্য গয়না। অফিস, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা বা সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে একের পর এক গয়না সহজে ব্যবহার করা যায়, এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন বারবার খুলে রাখার ঝামেলা না থাকে।
তামান্নার পরিবারের সঙ্গে জুয়েলারির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় এই উদ্যোগ তার জন্য হঠাৎ নেওয়া সিদ্ধান্ত নয়। ছোটবেলায় বাবার দোকানে কাটানো সময় তার কাছে স্মৃতিময়; তখন গয়না ছিল মানসিক সান্ত্বনা ও স্নেহের প্রতীক। সেই অনুভূতিই এখন নতুন আকার নিয়েছে।

অভিনয়ের অভিজ্ঞতাও এই ধারণার জন্ম দিয়েছে। ভারী পোশাক ও জাঁকজমকপূর্ণ অলংকারে শুটিংয়ের সময়ে অস্বস্তি ভোগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘‘আমি আর কখনো শুধুমাত্র দেখানোর জন্য কষ্ট সহ্য করব না।’’ এ থেকেই জন্ম নিয়েছে ‘ক্যাজুয়াল গ্ল্যামার’ ধারণা—যেখানে আভিজাত্য থাকলেও স্বাচ্ছন্দ্য হারানো হয় না।
ব্র্যান্ডের বিশেষত্ব হচ্ছে এর ব্যবহারিক দিক। প্রতিটি গয়না হালকা, মজবুত ও দীর্ঘ সময় পরে পরলেও স্বস্তিদায়ক। সহজ ক্লিক-লক ক্ল্যাস্প, দৈনন্দিন ব্যবহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নকশা—এসবই ব্র্যান্ডের মূল নীতি। তামান্না নিজেই প্রতিটি পিস পরে পরীক্ষা করেন, শুটিং কিংবা দীর্ঘ দিনের ব্যস্ততার মধ্যেও মানিয়ে গেলে সেটিই কালেকশনে জায়গা পায়।
কলেকশনের সূচনা হয়েছে হুপ কানের দুল দিয়ে, যা প্রায় সব বয়স, স্টাইল ও উপলক্ষের সঙ্গে মানিয়ে যায়। তামান্নার মতে, এমন গয়নাই প্রকৃত সফল ডিজাইনের উদাহরণ। এই নতুন যাত্রায় তিনি নিজেকে তুলে ধরছেন গয়নার মাধ্যমে স্বাচ্ছন্দ্য, স্মৃতি ও ব্যক্তিগত অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে।
এমকে/এসএন