© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইসরাইল উপকূলে পৌঁছালো মার্কিন বিমানবাহী রণতরী

শেয়ার করুন:
ইসরাইল উপকূলে পৌঁছালো মার্কিন বিমানবাহী রণতরী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:০২ পিএম | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। তারই অংশ হিসেবে দেশটির বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইসরাইলের উপকূলে এসে পৌঁছেছে।

আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইসরাইলি চ্যানেল ১২ এবং টাইমস অব ইসরাইল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি।

এদিকে কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ইসরাইলের সামরিক ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হয়েছে। এসব যুদ্ধবিমানের জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) বিমানও পাঠানো হয়েছে। যার ফলে ইরানে মার্কিন হামলার আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ইরানে থাকা নিজেদের নাগরিকদের দ্রুত দেশটি থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে চীন।

একই সঙ্গে নতুন করে ইরান ভ্রমণ না করার পরামর্শও দিয়েছে বেইজিং। এর মধ্যদিয়ে এখন পর্যন্ত ৯টি দেশ ইরান থেকে নিজেদের নাগরিকদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানালো।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইরানে অবস্থিত দূতাবাস এবং কনস্যুলেটগুলো আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বার্তায় বলেছে, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় চীনা নাগরিকদের ইরান সফর থেকে বিরত থাকতে হবে। এই বার্তাটি চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম উইচ্যাটে প্রকাশ করা হয়।

চীনা সরকারি দৈনিক গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, যারা ইতোমধ্যে ইরানে আছেন, তাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে যত দ্রুত সম্ভব দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ইসরাইলে নিজ দূতাবাস কর্মীদের ‘আজই’ ইসরাইল ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটিতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি। আজ শুক্রবার সকাল ১০টা ২৪ মিনিটে পাঠানো এক ইমেইলে হাকাবি লিখেছেন, কোনো কর্মী বা তাদের পরিবারের সদস্যরা যদি ইসরাইল ছাড়তে চান, তাহলে ‘আজই’ চলে যাওয়া উচিত।

এদিকে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনার মধ্যে তেল আবিবে ফ্লাইট স্থগিত করছে আন্তর্জাতিক একাধিক বিমান সংস্থা। এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশের সরকার তাদের নাগরিকদের ইরান ও ইসরাইল ভ্রমণে সতর্কতা জারি করেছে।

নেদারল্যান্ডের প্রধান বিমানসংস্থা কেএলএম আমস্টারডাম-তেল আবিবে ফ্লাইট স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে। সংস্থাটির একজন মুখপাত্র বলেছেন, নিরাপত্তা উদ্বেগের মধ্যে তেল আবিবে ফ্লাইট পরিচালনা করা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়।

পরমাণু ইস্যুতে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে।

ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধে চাপ বাড়াতে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

অন্যদিকে তেহরান অভিযোগ করেছে, ওয়াশিংটন ও ইসরাইল হস্তক্ষেপ ও সরকার পরিবর্তনের অজুহাত তৈরি করছে। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যেকোনো সামরিক হামলার জবাব তারা দেবে এবং পারমাণবিক কর্মসূচিতে কোনো সীমাবদ্ধতা এলে তার সঙ্গে অবশ্যই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি যুক্ত থাকতে হবে।

এমআর/টিকে 

মন্তব্য করুন