গৌতম ঘোষকে শুভেচ্ছা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের
ছবি: সংগৃহীত
০১:৫৮ পিএম | ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
২০২৬ সালের কলকাতা শেরিফ হিসেবে মনোনীত হলেন প্রখ্যাত পরিচালক গৌতম ঘোষ। শুক্রবার আনুষ্ঠানিক চিঠি হাতে পেয়েই খানিক বিস্মিত, খানিক আবেগাপ্লুত তিনি। এক বছরের জন্য অরাজনৈতিক এই সম্মাননীয় পদে দায়িত্ব পালন করবেন ‘পদ্মানদীর মাঝি’র নির্মাতা। এর আগে এই পদে ছিলেন বসন্ত চৌধুরী, রঞ্জিত মল্লিকের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা।
খবর প্রকাশ্যে আসতেই শুভেচ্ছায় ভাসলেন গৌতম। তাঁকে অভিনন্দন জানালেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, “যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য সম্মান পেলেন। গৌতমদাকে প্রচণ্ড শ্রদ্ধা করি। ওঁর জন্য আন্তরিক শুভকামনা রইল।” দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকেও আসছে শুভেচ্ছাবার্তা।
ফোনে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে গৌতমের কণ্ঠে ধরা পড়েছে একই সঙ্গে আনন্দ ও বিস্ময়। বললেন, “চিঠি পেলাম, কী কাণ্ড!” এই মুহূর্তে তিনি চেন্নাই যাচ্ছেন তাঁর পুরনো ছবিগুলির পুনরুদ্ধারের কাজে। সেই সূত্রেই উঠে এল শহরের ঐতিহ্য রক্ষার প্রসঙ্গ। কলকাতার বহু পুরনো স্থাপত্য ও সাংস্কৃতিক চিহ্ন ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে—নতুন শেরিফ হিসেবে সেগুলি সংরক্ষণে উদ্যোগ নেবেন কি? উত্তরে তাঁর সোজাসাপ্টা জবাব, সুযোগ ও ক্ষমতা পেলে অবশ্যই চেষ্টা করবেন।

কলকাতা হাই কোর্টের সুপারিশ এবং রাজ্যপালের অনুমোদনে প্রতিবছর শহরের বিশিষ্ট নাগরিকদের মধ্য থেকে একজনকে শেরিফ হিসেবে মনোনীত করা হয়। এটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও সম্মানসূচক পদ। দায়িত্বের পরিধি ও করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে, কলকাতা এবং কলকাতাবাসীর জন্য কিছু ইতিবাচক কাজ করতে চান গৌতম।
বরাবরই রাজনীতি থেকে দূরে থেকেছেন তিনি। সিনেমাই তাঁর প্রথম ও প্রধান পরিচয়। তবে এবার শহরের এক ঐতিহ্যবাহী পদে বসে পুরনো সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় তাঁর আগ্রহ নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে সাংস্কৃতিক মহলে।
পিআর/টিএ