© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন / ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে আগেই সমর্থন দিয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ!

শেয়ার করুন:
ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে আগেই সমর্থন দিয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:০৭ এএম | ০১ মার্চ, ২০২৬
প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিলেও ইরানে হামলার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে লবিংয়ের অভিযোগ উঠেছে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে।

কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের শাসক যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বারবার অনুরোধের পরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চারজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়, গত একমাসে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে একাধিকবার ব্যক্তিগত ফোনকলে ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। যদিও প্রকাশ্যে তিনি কূটনৈতিকভাবে সমাধানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ইরানের এই সর্বোচ্চ নেতা নিহত হয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে, ইরান ট্রাম্পের এই দাবি অস্বীকার করেছে।

স্থানীয় সময় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম দুষ্টু ব্যক্তি, মারা গেছেন। এটি শুধু ইরানের জনগণের জন্য ন্যায়বিচার নয়, বরং সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেই মহান আমেরিকানদের জন্যও ন্যায়বিচার, যারা খামেনি ও তার রক্তপিপাসু সন্ত্রাসী দলের হাতে নিহত বা ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন। তিনি আমাদের গোয়েন্দা ও অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থার নজর এড়াতে পারেননি এবং ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা নিশ্চিত করেছি যে তিনি বা তার সঙ্গে নিহত অন্য নেতারা কিছুই করতে পারেননি।’

ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ‘এটি ইরানের জনগণের জন্য নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে বড় সুযোগ। আমরা শুনছি যে তাদের আইআরজিসি, সামরিক বাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ও পুলিশ বাহিনীর অনেকেই আর যুদ্ধ করতে চান না এবং আমাদের কাছ থেকে নিরাপত্তা (ইমিউনিটি) চাইছেন।’

তিনি যোগ করেন, ‘যেমন আমি গত রাতে বলেছি, “এখন তারা নিরাপত্তা পেতে পারে, পরে তারা শুধু মৃত্যুই পাবে!” আশা করা যায়, আইআরজিসি ও পুলিশ শান্তিপূর্ণভাবে ইরানি দেশপ্রেমিকদের সঙ্গে একীভূত হবে এবং একসঙ্গে কাজ করে দেশকে তার প্রাপ্য মহত্ত্বে ফিরিয়ে আনবে।

এসকে/টিকে

মন্তব্য করুন