একটি দল নিজের পায়ে কুড়াল মারার চেষ্টা করছে: শিশির মনির
ছবি: সংগৃহীত
০৩:৪৪ পিএম | ০৩ মার্চ, ২০২৬
জামায়াতে ইসলামীর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, আমরা মনে করি একটি রাজনৈতিক দল নিজের পায়ে নিজের কুড়াল মারার চেষ্টা করছে। যদি বাংলাদেশে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ না থাকে, ৩০টি কনসেনসাসের (ঐকমত্য) ভিত্তিতে সংস্কার প্রস্তাব না থাকে, গণভোটের প্রশ্নও অবৈধ হয়; তাহলে শেষ পর্যন্ত থাকবে কি? শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থাকে? সরকার থাকে? নিজের গদি থাকে? সবকিছুই বড় ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন। এই দায় দায়িত্ব তাদের নিতে হবে।
জাতীয় জীবনের এত বড় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে ডিজাইন করে আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটার বানিয়ে পার্লামেন্টকে পাশ কাটানোর যে কৌশল- এটি অতীতেও ভালো কোনো কৌশল হিসেবে প্রমাণিত হয়নি।
আজ মঙ্গলবার জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের জন্য দেওয়া চিঠি এবং গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা নিয়ে জারি করা রুলের পর এসব কথা বলেন শিশির মনির।
মোহাম্মদ শিশির মনির আরও বলেন, ৫ আগস্টের পরে সংস্কার কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল সেই উদ্যোগটাকে রাজনৈতিক মতৈক্যের বাইরে নিয়ে আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটার বানানো হলো। অতীতেও আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটার বানানো হয়েছে। যেগুলো রাজনৈতিকভাবে সেটেল করার বিষয় ছিল তার কোনোটারই ভালো ফলাফল আমরা দেখতে পাইনি। ৩০টি বিষয়ে যেখানে বিএনপিসহ সকল রাজনৈতিক দল একমত হলো, সেই ৩০টি বিষয়কেও রুলের অধীনে কার ইনস্ট্রাকশনে আনা হলো- এটি এখনো বোধগম্য নয়। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই রিট মামলা শুনানি করার ক্ষেত্রে এবং মামলাটি পরিচালনা করার ক্ষেত্রে সরকারের একাংশের ডাইরেক্ট সংশ্লিষ্টতা দেখা যাচ্ছে।
শিশির মনির বলেন, আমরা ধরে নিতে পারি সরকার এই সংস্কার প্রস্তাব পার্লামেন্টকে বাইপাস করে কোর্টের মাধ্যমে সেটেল করে এক ধরনের স্থিতাবস্থা বা এক ধরনের সুবিধা নেওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন। আবার সরকারকে মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে দ্বিচারিতা করছেন। তবে স্থগিতাদেশ না থাকায় রুলের কারণে সংসদের কার্যক্রমে বাধা হবে না বলে জানান তিনি।
টিকে/