জয়-পলকের মামলায় প্রথম সাক্ষ্য শেষ, ফের ১০ মার্চ
ছবি: সংগৃহীত
০৩:২৮ পিএম | ০৪ মার্চ, ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞের দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা শেষ হয়েছে।
বুধবার (৪ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। প্যানেলের বাকি সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন মামলার বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা। এ সংক্রান্ত তথ্যপ্রমাণ কিংবা আলামত কবে, কখন, কোথায় থেকে জব্দ করেছেন তা ট্রাইব্যুনালের সামনে তুলে ধরেন। এছাড়া জয় ও পলকের ফোনালাপসহ অন্যান্য ডিজিটাল এভিডেন্স কীভাবে পেয়েছেন, সেসবের বিবরণ দেন।
পরে আসামি পলকের পক্ষে জোহাকে জেরা করেন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো ও জয়ের পক্ষে করেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী মনজুর আলম।
জেরায় আমিনুল গণির প্রশ্নে জোহা বলেন, নিজেদের সার্ভার থেকে এ মামলা সংক্রান্ত রেকর্ড দিয়েছে এনটিএমসি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর ও বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা হওয়ার আগে আমি সরকারের আইসিটি বিভাগের অধীনে একটি প্রকল্পে প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলাম।
পলকের ভয়েস সংক্রান্ত কোনো অডিও-ভিডিও বা মোবাইল ফোন জব্দ করেছেন কিনা- আইনজীবীর প্রশ্নে না সম্বোধন করেন বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা। তিনি বলেন, আমি সরাসরি জব্দ করিনি। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের কল রেকর্ড জব্দ করেছি। তাদের কথপোকথনের মধ্যে বি-পার্টি হিসেবে পলকের ভয়েস রয়েছে। এছাড়া পলকসহ এ মামলার সব ভয়েসের ফরেনসিক পরীক্ষা করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
তানভীর হাসান জোহা কখনও ডিজিএফআই বা এসবিতে ছিলেন কিনা জানতে চান আইনজীবী টিটো। জবাবে ছিলেন না বলে জানান তিনি।
জেরা শেষে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১০ মার্চ দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, সুলতান মাহমুদ, গাজী এমএইচ তামিমসহ অন্যরা।
টিজে/টিএ