© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

১০ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পারমাণবিক চুল্লি, নেতৃত্বে বিল গেটসের কোম্পানি

শেয়ার করুন:
১০ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পারমাণবিক চুল্লি, নেতৃত্বে বিল গেটসের কোম্পানি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:৩৭ পিএম | ০৬ মার্চ, ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ও ডেটা সেন্টারের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে এক দশক বিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন বাণিজ্যিক পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণ। এ প্রকল্পের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন পেয়েছে বিল গেটসের প্রতিষ্ঠিত এক কোম্পানি।

প্রযুক্তি সাইট এনগ্যাজেট প্রতিবেদনে লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিউক্লিয়ার রেগুলেটরি কমিশন’ ওয়াইয়োমিং অঙ্গরাজ্যে একটি পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণের জন্য গেটসের ‘টেরাপাওয়ার’ কোম্পানিকে অনুমোদন দিয়েছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুসারে, প্রায় এক দশকের মধ্যে এটিই হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নতুন বাণিজ্যিক পারমাণবিক চুল্লি প্রকল্প। এ নির্মাণকাজের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি অনুমোদন পেতে কোম্পানিটির দীর্ঘ কয়েক বছর সময় লেগেছে।

বিকল্প শক্তির উৎস হিসেবে আরও সাশ্রয়ী ও দক্ষ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির প্রচেষ্টারই অংশ টেরাপাওয়ার, বিশেষ করে এআই কোম্পানি ও বিভিন্ন ডেটা সেন্টারের ক্রমাগত চাহিদার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ওপর যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা সামাল দিতেই এই উদ্যোগ।

টেরাপাওয়ার তাদের এ পরিকল্পিত চুল্লিতে ‘ন্যাট্রিয়াম’ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। প্রচলিত ‘লাইট ওয়াটার’ রিঅ্যাক্টর বা চুল্লির পরিবর্তে তরল সোডিয়াম ব্যবহারের এ পদ্ধতিটি খরচ কমাতে এবং দ্রুত কাজ শেষ করার লক্ষ্যেই গ্রহণ করেছে তারা।

পারমাণবিক চুল্লির সমর্থকরা বলছেন, কয়লা বা গ্যাসচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো পরিবেশের ক্ষতি না করেই বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যকর এক উপায় এ পদ্ধতি। তবে সমালোচকরা এ পদ্ধতির বড় ঝুঁকি হিসেবে নিরাপত্তার অভাবকে দায়ী করেছেন।

অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন, পারমাণবিক বর্জ্য তৈরি ও তা অপসারণের প্রক্রিয়াটি পরিবেশগত লাভকে শেষ পর্যন্ত ম্লান করে দেয় কি না। গেটসের সমর্থনপুষ্ট এ প্রকল্পটি সাশ্রয়ী হচ্ছে না।

প্রস্তাবিত এ কেন্দ্রটি নির্মাণে অন্তত ৪০০ কোটি ডলার খরচ হতে পারে এবং ২০৩১ সালে তা চালু হওয়ার আগে এখনও অনেক লজিস্টিক বা কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

এমআই/টিকে 

মন্তব্য করুন