© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জুমার নামায শেষে খামেনির জন্য ইরানিদের শোক

শেয়ার করুন:
জুমার নামায শেষে খামেনির জন্য ইরানিদের শোক

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:০২ পিএম | ০৬ মার্চ, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান যৌথ হামলা উপেক্ষা করে শুক্রবার জুমার নামায শেষে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে শোক পালন করেন এবং তার জন্য প্রার্থনা করেন হাজারো মানুষ। পরে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে তীব্র স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।

শুক্রবার (৬ মার্চ) পবিত্র রমজান মাসের তৃতীয় জুমায় তেহরানে ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মসজিদে সমবেত হন হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।

সাত দিন আগে শুরু হওয়া যুদ্ধ এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর এটিই ছিল প্রথম জুমার জামাত বা বড় ধর্মীয় সমাবেশ।

এতে অংশ নেওয়া মুসল্লিদের হাতে ছিল প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে তীব্র স্লোগান দেন।

এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানিয়েছে, রাজধানীতে বোমাবর্ষণ চললেও মানুষের উপস্থিতিতে কোনো ভাটা পড়েনি।

ইরানি সংবাদমাধ্যমের ফুটেজে দেখা গেছে, কালো পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষরা মসজিদের বাইরের চত্বরে জমায়েত হয়েছেন।

সেখানে তারা খামেনিকে ‘তাকওয়া ও অভিভাবকত্বের মূর্ত প্রতীক’ হিসেবে অভিহিত করে শোক প্রকাশ করে প্রার্থনা করেন। পরে যুদ্ধের প্রতিবাদে বিশাল বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ।

ইরানি রাষ্ট্রীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রকাশিত বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, কালো পোশাক পরা নারী ও পুরুষরা ইরানের পতাকা হাতে নিয়ে রাজধানীর ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মসজিদের সামনে জড়ো হন। সেখানে তারা প্রার্থনা করেন এবং খামেনির স্মরণে শোক প্রকাশ করেন।

এদিকে ইসরায়েল অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে আজকের জুমার নামাজ বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ইরানি হামলার দোহাই দিয়ে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও আল-আকসার খতিব শেখ ইকরিমা সাবরি একে সম্পূর্ণ অন্যায় হিসেবে অভিহিত করেছেন।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। তার মৃত্যুতে দেশটিতে ৪০ দিন শোক এবং সাত দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এই হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায় এবং ইরানও পাল্টা হামলা চালায়।

ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী খামেনির হত্যাকারীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছে।

বর্তমানে সংঘাত সপ্তম দিনে গড়িয়েছে। ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা অব্যাহত রয়েছে এবং দেশজুড়ে শোক ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ বিরাজ করছে।

এসকে/টিকে

মন্তব্য করুন