রিজওয়ানা জামায়াতি দালাল, মুসলিম লীগের রাজাকারকন্যা : মোশাররফ আহমেদ
ছবি: সংগৃহীত
০২:০৮ এএম | ০৭ মার্চ, ২০২৬
জামায়াতি দালাল, মুসলিম লীগের রাজাকারকন্যা রিজওয়ানা হাসান সম্বন্ধে আমার আলোচনা করার আর রুচি নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর।
সম্প্রতি এক টেলিভিশন টক শোতে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বিরুদ্ধে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে আলোচনায় মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর বলেন, রিজওয়ানা হাসানের একটা ব্যাকগ্রাউন্ড আছে। ব্যাকগ্রাউন্ডটা হচ্ছে ড. ইউনূসদের মহলে কেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তির মতো হয়ে উঠলেন? রিজওয়ানা হাসানের বাবা সৈয়দ মহিবুল হাসান মুসলিম লীগের রাজনীতি করতেন।
১৯৬৫ সালে এমপি হয়েছিলেন, মানে প্রাদেশিক অ্যাসেম্বলির মেম্বার হয়েছিলেন। তারপরে উনি ১৯৭০ সালে ফেল করেন। ১৯৭৯ সালে স্বতন্ত্র থেকে পাস করেন এবং এরপরে স্বতন্ত্র পাস করে বিএনপিতে যোগ দিয়ে হয়ে যান প্রতিমন্ত্রী। জনশক্তি প্রতিমন্ত্রী। তারপর এরশাদের দলে যোগ দেন। এই কারণে সব ঘাটের পানি খাওয়া লোকের কন্যা হিসেবে সব ঘাটেরই মোটামুটি একটা সমর্থন রিজওয়ানার প্রতি ছিল। এটা হল বাস্তবতা।
তিনি বলেন, একজন সচিব আমাকে বলছেন, রিজওয়ানার সঙ্গে তিন মাস চাকরি করেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে, আমার ৩৬ বছর পার করেছে। প্রতিদিন ধমকাতেন। বলতেন যে মানসিকভাবে প্রস্তুত হন, জামায়াত আসছে ক্ষমতায়, এভাবে চলবে না।
তিনি আরো বলেন, তার সঙ্গে একটা মন্ত্রণালয়ে কাজ করা একজন সচিবের রেফারেন্স দিয়ে বলছি, রিজওয়ানা অন্তত ২৩টি জামায়াতি ঘরানার লোককে এই মিডিয়া দিয়ে গেছেন। উনি শেষ যে সই করেছেন, তা করেছেন ৩১ জানুয়ারি দিয়ে, আর তার উপরে যিনি সই করেছেন তার ওই সইটা হচ্ছে ৯ ফেব্রুয়ারি।
মানে, কী পরিমাণ অসততা! রিজওয়ানা ‘বেলা’র নামে ধান্দাবাজি করেছেন, যত ভূমিদস্যু আছে, এদেরকে ছাড় দিয়েছেন। আর যারা একটু গরিব মানুষ, টাকা পয়সা দিতে পারেনি, এদেরকে সুবিধা দিয়েছেন। এটার নাম হচ্ছে রিজওয়ানা হাসান।
ইউটি/টিএ