© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ভোলায় যুবদলের কার্যালয়ে যুবলীগের হামলার অভিযোগ

শেয়ার করুন:
ভোলায় যুবদলের কার্যালয়ে যুবলীগের হামলার অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:৫৭ পিএম | ০৮ মার্চ, ২০২৬
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে দক্ষিণ আইচা থানা যুবদলের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় আফসার নামে ইউনিয়ন যুবদলের এক নেতাকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়েছে।

শনিবার (৭ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দক্ষিণ আইচা বাজারের চৌধুরী মার্কেট ভবনের নিচতলায় অবস্থিত থানা যুবদল কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে দক্ষিণ আইচা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আহত আফসার চরমানিকা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি। তিনি ওই এলাকার একজন তরমুজ চাষি।

‎অভিযুক্তরা হলেন- একই ওয়ার্ডের তোফাজ্জল মাতব্বরের ছেলে মো. নূর নবী (৪৫), ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহাজল সিকদারের ছেলে আ. শহিদ ভুট্ট (৫০), ও সাইদের ছেলে মো. রবিউল (৩৫)সহ আরো ২০-৩০ জন।
‎থানার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আহত যুবদল নেতা আফসারসহ কয়েকজন চাষি চর আইচা মৌজার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে তরমুজ চাষ করেন।

অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। এ ঘটনায় শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে তারা যুবদল অফিসে ঢুকে চাঁদা দাবি করলে চাষিরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান।

এ অবস্থায় অভিযুক্তরা তরমুজ চাষিদের ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এক পর্যায়ে তারা যুবদল অফিসের চেয়ার টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন।

এসময় থানা যুবদলের সভাপতি ইকবাল হাওলাদারের একটি স্মার্টফোনও ভেঙে ফেলেন তারা। হামলায় আহত যুবদল নেতা আফসারকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
‎দক্ষিণ আইচা থানা যুবদল সভাপতি ইকবাল হাওলাদার জানান, রাতে থানা যুবদল অফিসের মধ্যে বসে থাকা অবস্থায় থানা যুবলীগের সদস্য নুরনবী মাতাব্বরের নেতৃত্বে হঠাৎ ২০-৩০ জন প্রবেশ করে ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র সভাপতি ও তরমুজ চাষি আফসারের ওপর হামলা চালান। এসময় তারা অফিসে হামলা করে মালামাল ভাঙচুর করেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
‎অভিযুক্ত মো. নূর নবী মাতাব্বর জানান, চাষি আফসার আমাদেরকে গালিগালাজ করায় আমরা ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা করেছি। এরপর তিনি কোনো মন্তব্য না করে ফোন কেটে দেন।
‎দক্ষিণ আইচা থানার ওসি আহসান কবির জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসকে/টিকে

মন্তব্য করুন