© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর মাউথওয়াশ

শেয়ার করুন:
করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর মাউথওয়াশ
health-desk
০৯:২৭ এএম | ১৬ মে, ২০২০

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে মাউথওয়াশ কার্যকর হতে পারে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ ইউনিভার্সিটির একদল বিজ্ঞানী। নতুন এই গবেষণায় কার্ডিফ ইউনিভার্সিটির স্কুল অব মেডিসিন বিভাগের সঙ্গে নটিংহাম, কলোরাডো, অটোয়া, বার্সেলোনা ও ক্যামব্রিজের বাবরাহাম ইন্সটিটিউটের ভাইরোলজি, লিপিড ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা যুক্ত রয়েছেন। খবর ডেইলি মেইল

গবেষণায় বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস চর্বিযুক্ত স্তর দ্বারা আচ্ছাদিত, যা নির্দিষ্ট কিছু রাসায়নিকের মাধ্যমে ধ্বংস করা যায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মাউথওয়াশের কার্যকারিতা প্রমাণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে পরীক্ষা চালানো দরকার।

আন্তর্জাতিক এই গবেষক দল বলছেন, করোনাভাইরাসের বাইরের অংশে থাকা আবরণ চর্বির তৈরি মানুষের শরীরের কোষের ওপর আক্রমণ করে। মাউথওয়াশে থাকা উপাদান এই ভাইরাসের বাইরের আবরণকে ধ্বংস করতে সক্ষম। আর বাইরের আবরণকে ভেঙে ফেলতে পারলেই করোনার সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব। মাউথওয়াশের উপাদান মুখ ও গলায় ভাইরাসটির প্রতিলিপি তৈরির প্রক্রিয়াকেও বাধাগ্রস্ত করতে সক্ষম।

গবেষণাপত্রটির প্রধান ও কার্ডিফ ইউনিভার্সিটির সিস্টেম ইমিউনিটি রিসার্চ ইন্সটিটিউটের সহপরিচালক অধ্যাপক ও’ডোনেল বলেন, মাউথওয়াশ নিয়ে খুবই সীমিত পরিসরে ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, কিছু মাউথওয়াশে পর্যাপ্ত পরিমাণ রাসায়নিক উপাদান থাকে, যা কিনা মুখে থাকা ভাইরাস জাতীয় কোনো কিছুকে ধ্বংস করতে সক্ষম। তাই ধারণা করা হচ্ছে, এই উপাদান ভাইরাসের বিরুদ্ধেও কার্যকর হবে।

তারা বলছেন, ডেন্টাল মাউথওয়াশগুলোতে সাধারণত ক্লোরহেস্কিডিন, সেটিলপিরিডিনিয়াম ক্লোরাইড, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড ও পোভিডন-আয়োডিন রয়েছে; এই উপাদানগুলোর বেশির ভাগেরই যে কোনো ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে, ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায়ও এর সফলতা আশা করা যায়।

তবে, গবেষণায় বিজ্ঞানীরা মাউথওয়াশে করোনাভাইরাস ধ্বংস করার দাবি করলেও এটি সফল হবে কি না, এখনো এমন কোনো ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা হয়নি।

কার্ডিফ ইউনিভার্সিটির অধীনে পরিচালিত গবেষণাটির বিজ্ঞানীরা বলেছেন, মাউথওয়াশ দিয়ে গারগল করার মাধ্যমে করোনাভাইরাস ধ্বংসের বিষয়টি এখনো গবেষণা পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। এর জন্য আরও অনেক বেশি ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার দরকার রয়েছে।

 

টাইমস/জিএস

মন্তব্য করুন