মধ্যপ্রাচ্যে নজরদারি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
ছবি: সংগৃহীত
০২:২৯ পিএম | ১০ মার্চ, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় অঞ্চলের আকাশসীমা সুরক্ষা জোরদারে নজরদারি বিমান ও আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ।
তিনি জানান, রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান এয়ার ফোর্স (আরএএএফ) উপসাগরীয় অঞ্চলের আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি ই-৭এ ওয়েজটেইল নজরদারি বিমান এবং সহায়ক কর্মী মোতায়েন করবে। আগামী চার সপ্তাহ এ বিমান আকাশসীমা পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি আঞ্চলিক দেশগুলোর যৌথ আত্মরক্ষামূলক কার্যক্রমে সহায়তা দেবে।
আলবানিজ বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠছে। ইরানের পাল্টা হামলার পরিধি ও তীব্রতা ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং সাইপ্রাস থেকে উপসাগরীয় অঞ্চল পর্যন্ত অন্তত ১২টি দেশ এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।’
তিনি আরো জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে ফোনালাপের পর দেশটিতে উন্নত মাঝারি পাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও এ সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করেন আলবানিজ। তাদের মধ্যে প্রায় ২৪ হাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, অস্ট্রেলিয়ার এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক এবং ইরানের বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণাত্মক অভিযানে দেশটি অংশ নিচ্ছে না। একই সঙ্গে ইরানের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ান সেনা পাঠানোরও কোনো পরিকল্পনা নেই। প্রধানমন্ত্রী জানান, গত সপ্তাহ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৬০০ অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক মধ্যপ্রাচ্য ছেড়েছেন।
আরআই/টিকে