© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইফতারে ‘বিরিয়ানি’ খেয়ে ৫০ শ্রমিক অসুস্থ

শেয়ার করুন:
ইফতারে ‘বিরিয়ানি’ খেয়ে ৫০ শ্রমিক অসুস্থ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:২৫ এএম | ১৩ মার্চ, ২০২৬
ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি কারখানায় ইফতারে ‘বিরিয়ানি’ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অন্তত ৫০ জন শ্রমিক। এর মধ্যে ১৯ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদেরকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইফতারের সময় উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের চেচুয়ার মোড় এলাকায় অবস্থিত গ্লোবাল সুজ লিমিটেড নামের জুতা তৈরির কারখানায় এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শ্রমিকদের দ্রুত ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

কারখানার শ্রমিকরা জানান, কারখানাটিতে প্রায় এক হাজার ২০০ শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন। রমজানে প্রতিদিনই শ্রমিকদের জন্য কারখানার পক্ষ থেকে ইফতারের ব্যবস্থা করা হয়। বৃহস্পতিবার ইফতারের জন্য উপজেলার সিডস্টোর বাজারের খান হোটেল থেকে বিরিয়ানি সরবরাহ করা হয়। ইফতার করার পাঁচ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই কয়েকজন শ্রমিক বমি করা শুরু করেন। একে একে প্রায় ৫০ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন।

সুইং সেকশনের ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বলেন, “কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা করে থাকে। বৃহস্পতিবার ইফতারে বিরিয়ানি দেওয়া হয়। বিরিয়ানি খাওয়ার পর প্রায় ৫০ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য মমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।”

ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মেহেদী হাসান বলেন, “অসুস্থ হয়ে শ্রমিকরা হাসপাতালে আসেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

মমেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, “রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ১৯ জন রোগী এ হাসপাতালে এসেছেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ নারী। তাদের হাসপাতালের ১৩ ও ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন খান দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, “দূষিত বা বাসি খাবার খাওয়ার ফলে সৃষ্ট ফুড পয়জনিংয়ে অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে। যারা অসুস্থ অবস্থায় এসেছেন তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”

এসএস/এসএন

মন্তব্য করুন