রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে অপসারণের দাবি ‘জুলাই ঐক্য’র
ছবি: সংগৃহীত
০৫:৫৬ পিএম | ১৩ মার্চ, ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনকে সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গুরুতর অসদাচরণ ও সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে সংসদের মাধ্যমে অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) করে পদ থেকে অপসারণ এবং গণহত্যার সহযোগী হিসেবে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ‘জুলাই ঐক্য’ নামে একটি সংগঠন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক ফাহিম ফারুকী।
লিখিত বক্তব্যে ফাহিম ফারুকী বলেন, ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারের নিয়োগপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দিয়ে ‘জনতার সংসদকে অপবিত্র’ করছেন।
তিনি আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপিকে দুটি শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তারা জুলাই সনদের শপথ গ্রহণ করেনি। এর পরিবর্তে সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সরকারের উদ্দেশে জুলাই ঐক্য জানায়, ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান সংসদ গঠিত হয়েছে। জুলাইয়ের আত্মত্যাগ অস্বীকার করা হলে এর পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে বলেও তারা সতর্ক করে।
সংগঠনটির দাবি, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রপতি একাধিকবার শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন।
সম্প্রতি ‘দেশের একটি গণমাধ্যম’ পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ টেনে ফাহিম ফারুকী বলেন, সেখানে রাষ্ট্রপতি দাবি করেছেন যে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ‘জুলাই ঐক্য’ বঙ্গভবন ঘেরাও করতে গিয়েছিল। অথচ সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে ২০২৫ সালের মে মাসে।
এছাড়া যারা এখনো সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি, তাদের দ্রুত শপথ গ্রহণ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়। একইসঙ্গে জুলাইয়ের বিভিন্ন সংগঠনকে সক্রিয় ও একীভূত করার লক্ষ্যে আগামী ২৫ মার্চ পর্যন্ত সংগঠন সংগ্রহ কার্যক্রম চালানোর ঘোষণা দেয় ‘জুলাই ঐক্য’।
এমআই/এসএন