© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বাকৃবির কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী শিক্ষার্থীদের কুরুচিপূর্ণ বার্তা পাঠানোর অভিযোগ

শেয়ার করুন:
বাকৃবির কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী শিক্ষার্থীদের কুরুচিপূর্ণ বার্তা পাঠানোর অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৫৪ এএম | ১৮ মার্চ, ২০২৬
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শারীরিক শিক্ষা বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর মো. শাহ ফাসিউল্লাহ অপুর বিরুদ্ধে নারী শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ বার্তা পাঠিয়ে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন বর্ষের একাধিক নারী শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন, তিনি মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়ে এবং ফোন করে তাদের বিরক্ত করতেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যায়ামাগারে যাতায়াতের সময় অভিযুক্ত কর্মকর্তা বিভিন্নভাবে তাদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করতেন। পরে রাতের বেলা মেসেঞ্জারে বার্তা পাঠিয়ে বন্ধুত্ব করার চেষ্টা করতেন এবং কথা বলার জন্য অনুরোধ জানাতেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, মানসিক চাপ কমানো ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার উদ্দেশ্যে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যায়ামাগারে যেতেন। সেখান থেকেই তিনি তাদের নম্বর সংগ্রহ করে জোরপূর্বক বন্ধুত্ব করতে চাইতেন। বার্তার উত্তর না দিলে বারবার ফোন করে বিরক্ত করতেন। এতে তারা মানসিক চাপ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

ভুক্তভোগীদের সরবরাহ করা ডিজিটাল প্রমাণ ও স্ক্রিনশটে দেখা যায়, অভিযুক্ত কর্মকর্তা বিভিন্ন সময়ে ‘প্লিজ একটু কথা বলো না’, ‘প্লিজ উত্তর দাও’, ‘উত্তর দাও না কেন’—এ ধরনের বার্তা পাঠিয়েছেন।

একটি বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘চল আমরা বন্ধু হই। আমার দ্বারা তোমার ও তোমার পরিবারের উপকার ছাড়া কিছু হবে না। তুমি আমার সঙ্গে নির্দ্বিধায় কথা শেয়ার করতে পার। তোমার আর আমার মাঝে যা হবে, তা অন্য কেউ জানতে পারবে না। বিশ্বাস করো।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. শাহ ফাসিউল্লাহ অপু বলেন, ‘আমি মানসিকভাবে অসুস্থ। হ্যাকাররা আমার ডিজিটাল মাধ্যমগুলো হ্যাক করে এসব বার্তা অন্যদের পাঠিয়েছে। আমি কখনও এসব বার্তা পাঠাইনি। এগুলো পুরোনো বার্তা।

তবে আইডি হ্যাক হওয়ার বিষয়ে তিনি থানায় কোনও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন কি না- এ প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি।

এ বিষয়ে কোনও তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে কি না এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে- তা জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীমের সঙ্গে মুঠোফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

এসকে/টিকে

মন্তব্য করুন