© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বসন্তের ছুটিতে শিক্ষার্থীদের ‘প্রেম করার’ আহ্বান চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের

শেয়ার করুন:
বসন্তের ছুটিতে  শিক্ষার্থীদের ‘প্রেম করার’ আহ্বান চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:৩৮ পিএম | ১৮ মার্চ, ২০২৬
একটি চীনা বিশ্ববিদ্যালয় বসন্তের ছুটিতে শিক্ষার্থীদের প্রেমে করার আহ্বান জানিয়েছে। এ আহ্বান ভালো ফলাফলের প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগী একটি দেশে বেশ অস্বাভাবিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিয়ে বাড়ানো ও অভ্যন্তরীণ ভোগব্যয় বৃদ্ধি করতে কর্তৃপক্ষ নতুন পথ খুঁজছে।

সিচুয়ান সাউথওয়েস্ট ভোকেশনাল কলেজ অব এভিয়েশন তাদের সরকারি উইচ্যাট অ্যাকাউন্টে জানায়, ১ থেকে ৬ এপ্রিলের বসন্তকালীন ছুটির থিম হলো ‘ফুল উপভোগ করো, ভালোবাসা অনুভব করো’।

প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বই থেকে একটু বিরতি নিতে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। এটি এমন সময় এসেছে, যখন দুই সপ্তাহ আগে চীন গ্রীষ্ম ও শীতকালীন ছুটির পাশাপাশি বসন্ত ও শরৎকালীন ছুটি চালুর ঘোষণা দেয়।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, কর্মীদের অফ-সিজনে ভ্রমণের সুযোগ দিতে ধাপে ধাপে বেতনসহ ছুটি উৎসাহিত করা হবে।

সিচুয়ান ও জিয়াংসুসহ বিভিন্ন প্রদেশ এবং সুজৌ ও নানজিংয়ের মতো শহরগুলো বসন্তকালীন ছুটির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এপ্রিল বা মে মাসের শুরুতে নির্ধারিত।

১.৪ বিলিয়ন মানুষের দেশে ভ্রমণ ও অবসর কার্যক্রম বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ ভোগব্যয় বাড়াতে চায় চীন। পাশাপাশি, বেশি অবসর সময় জন্মহার বৃদ্ধিতেও সহায়ক হবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

২০২৫ সালে টানা চতুর্থ বছরের মতো জনসংখ্যা কমেছে এবং জন্মহার নেমেছে রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়ে-বিশেষজ্ঞরা আরো পতনের আশঙ্কা করছেন।

এদিকে, ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশন জানিয়েছে, শিশু-বান্ধব উন্নয়নকে উৎসাহিত করতে বেইজিং নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ বিভিন্ন খাতে উন্নত জনসেবা নিশ্চিত করে ‘শিশু-বান্ধব শহর’ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

চীনা ভ্রমণ প্রতিষ্ঠান ট্রিপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জেমস লিয়াং বলেন, সন্তান লালন-পালনের জন্য সমাজে পর্যাপ্ত সময় ও অর্থ থাকা জরুরি এবং এ ধরনের উদ্যোগ আরো বাড়ানো উচিত।

তিনি বলেন, ‘বড় পরিবার গঠনের সামাজিক ও ব্যক্তিগত সুফল সম্পর্কে তরুণদের সচেতন করতে আরো জোর দেওয়া প্রয়োজন।’

তার মতে, সরকার সম্পদের সঠিক বণ্টন ও আর্থিক সহায়তা বাড়িয়ে একটি বিস্তৃত সহায়ক কাঠামো গড়ে তুলতে পারে।

এমআই/এসএন

মন্তব্য করুন