© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বগুড়ায় পৌঁছেছে রিলিফ ট্রেন, চলছে নীলসাগর এক্সপ্রেসের উদ্ধার কাজ

শেয়ার করুন:
বগুড়ায় পৌঁছেছে রিলিফ ট্রেন, চলছে নীলসাগর এক্সপ্রেসের উদ্ধার কাজ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:১৩ এএম | ১৯ মার্চ, ২০২৬
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রামে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার পর উদ্ধারকাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে।পাবনার ঈশ্বরদী থেকে একটি উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ইতঃপূর্বেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লাইনচ্যুত বগিগুলো সরিয়ে রেললাইন মেরামতের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা থেকে নীলফামারীগামী ট্রেনটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

এতে ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে অন্তত অর্ধশত যাত্রী আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর থেকে ঢাকার সঙ্গে বগুড়া ও রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলার রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ হোসেন মাসুম জানান, সিগন্যাল নিয়ে কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা লোকো মাস্টারের সিগন্যাল যথাযথভাবে অনুসরণ না করার কারণে এমনটা ঘটে থাকতে পারে।

অন্যদিকে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে ওই এলাকায় রেললাইনে ৬ ইঞ্চি ফাটল দেখা গিয়েছিল। রেলওয়ের কর্মীরা সেখানে মেরামতের কাজ করার সময় ট্রেনগুলোকে সতর্কতামূলক সিগন্যাল দিচ্ছিলেন। নীলসাগর এক্সপ্রেস সেই সিগন্যাল অমান্য করায় এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সান্তাহার জংশনসহ বিভিন্ন স্টেশনে ঢাকাগামী পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ও রাজশাহীগামী তিতুমীর এক্সপ্রেসসহ বেশ কয়েকটি ট্রেন আটকে আছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখী যাত্রীরা।

প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ হোসেন মাসুম জানিয়েছেন, দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকেও আরেকটি রিলিফ ট্রেন রওনা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, সারারাতের মধ্যে লাইন সচল করা সম্ভব হবে। তবে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন বগুড়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার সাজেদুর রহমান।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, যাত্রীদের নিরাপত্তা ও ভোগান্তি কমাতে জেলা পুলিশ সব ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে। দ্রুতই রেল চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।

এমআর/টিকে 

মন্তব্য করুন