কুষ্টিয়ায় ওসির গাড়িতে এমপির স্বজনদের হামলার অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত
০৯:১৭ এএম | ২০ মার্চ, ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেনের স্বজনদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৫ মিনিটের দিকে কুমারখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলংগীপাড়ায় এ হামলা হয়। হামলায় ওসির ব্যবহৃত গাড়িটির সামনের গ্লাসের একাধিক স্থানে ফাটলের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া-৪ আসনের এমপি ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আফজাল হোসেনের চাচাতো ভাই আনোয়ারের সঙ্গে আরেক চাচাতো ভাই শিপলুর পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে এমপি আফজাল হোসেনের সঙ্গে আনোয়ারের বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর এমপি পুলিশকে খবর দিলে রাত ৮টা ৫ মিনিটের দিকে কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এলংগীপাড়া যান। তখন পুলিশের গাড়িকে লক্ষ্য করে এমপির চাচাতো ভাই আনোয়ার ও শিপলু এবং তাদের লোকজন রেললাইনের পাথর এলোপাতাড়িভাবে নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশের গাড়ির সামনের গ্লাস ক্ষতিগ্রস্ত যায়। তবে এ ঘটনায় এখনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রাত ৯টার দিকে কুমারখালী থানা চত্বরে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পুলিশের ওসির ব্যবহৃত গাড়িটির সামনের গ্লাসে ভাঙচুরের ক্ষত। এ ঘটনায় থানার পুলিশ সদস্যদের মধ্যে অস্থিরতা বিরাজ করছে।
কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, ‘এমপির স্বজনদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এমপির ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল যাই। তখন পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে রেললাইনের পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে উভয়পক্ষের লোকজন। এতে পুলিশের গাড়ির সামনের অংশ ভেঙে গেছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’
এ বিষয়ে জানতে কুষ্টিয়া-৪ আসনের এমপি মো. আফজাল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে এমপির মুখপাত্র ও ভাতিজা আইনজীবী রবিউল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার সময় এমপি বাড়িতে ছিল না। তখন পারিবারিক বিরোধের জেরে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এলাকায় আসলে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে আমরাও চেষ্টা করছি।’
এসকে/টিকে