© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ১ দিন আগে বরগুনার অর্ধশত গ্রামে ঈদ উদযাপন

শেয়ার করুন:
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ১ দিন আগে বরগুনার অর্ধশত গ্রামে ঈদ উদযাপন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:০৫ এএম | ২০ মার্চ, ২০২৬
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে বরগুনায় প্রায় অর্ধশত গ্রামের অন্তত ২০ হাজার মানুষ ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে আটটায় বরগুনার বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের মধ্য বকুলতলী গ্রামের মল্লিক বাড়ি জামে মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

বিভিন্ন বয়সী শতাধিক মানুষ এ ঈদের নামাজে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও বরগুনা সদর উপজেলার পাজরাভাঙ্গা, লাকুরতলা ও গৌরীচন্না, পাথারঘাটা উপজেলার হাতেমপুর, বেতাগী উপজেলার লক্ষ্মীপুরা ও কাজিরাবাদ, বামনা উপজেলার ছোনবুনিয়া, আমতলী উপজেলার গোজখালী এবং তালতলী উপজেলার নিদ্রা এলাকার কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘ বছর ধরেই বরগুনা সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন উপজেলার কয়েকটি গ্রামের মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখেই ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। একইভাবে তারা ঈদুল আযহা উদযাপন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের একদিন আগেই এ বছরও তারা ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। মূলত, ধর্মীয় সকল রীতি-রেওয়াজ, নিয়ম-কানুন সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রাখতেই ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন এসব গ্রামের বাসিন্দারা।

কাজিরাাদ এলাকার মধ্য বকুলতলী নামক গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুল গণী মল্লিক বলেন, প্রায় ২০০ বছর আগে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এলাকার মির্জাখিল দরবার শরীফের নির্দেশে চান মিয়া ও কাশেম মৌলভী সাহেব এই এলাকায় এসে এমন ধর্মীয় নিয়ম-কানুন, রীতি-রেওয়াজ প্রচলন করেন। ওই সময় থেকেই আমাদের এলাকার বাসিন্দারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখেই ঈদুল ফিতর উদযাপন করেন। একইভাবে এখানকার বাসিন্দারা ঈদুল আযহাও উদযাপন করেন।

বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের ঈদ জামাতের ইমাম মো. ফজলুর রহমান বলেন, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থেকেই আমাদের এখানে এমন ধর্মীয় রীতি চালু হয়েছে। দীর্ঘ বছর ধরে আমরা এভাবেই ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করে আসছি। তবে আগে আমাদের লোক সংখ্যা বেশি থাকলেও বর্তমানে কিছুটা কমেছে। 

এসকে/টিকে

মন্তব্য করুন