© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মোনাজাতে যুদ্ধ বন্ধে মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

শেয়ার করুন:
মোনাজাতে যুদ্ধ বন্ধে মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:২৬ এএম | ২১ মার্চ, ২০২৬
একমাস সিয়াম সাধনার পর সারা দেশে উদযাপিত হ‌চ্ছে মুসলমানদের বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর হাইকোর্টসংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে শুরু হয় খুতবা। এরপর দেশ জাতি ও মুসলিম উম্মাহ কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

মোনাজাতে এক মাস সিয়াম সাধনার মধ্য দিয়ে মুসলিমরা যে তওবা করেছেন তার উপর আমল করার তৌফিক চাওয়া হয়। দেশকে হেফাজত ও নিসাব কায়েমের জন্য দোয়া করেন।

মুসলিম দেশগুলোতে যুদ্ধ বিশেষ করে ইরানের উপর যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গ টেনে মোনাজাতে সারা বিশ্বে যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি কামনা করা হয়।

মোনাজাতে মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে মুসলিমরা নির্যাতন-জুলুমের শিকার; তাদেরকে হেফাজত করার পাশাপাশি তাদের পাশে মুসলিম দেশগুলোকে দাঁড়ানো এবং জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও ঐক্যের জন্য দোয়া করা হয়। পাশাপাশি, সব মানুষের সুখ, শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা করে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়।

মোনাজাত শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা একে অপরকে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন।

জাতীয় ঈদগায়ে এবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

এছাড়া প্রধান জামাতে অংশ নেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশা ও বয়সের মুসল্লিরা।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় ঈদ জামাতের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে জাতীয় ঈদগাহ মাঠ।

ঈদের প্রধান জামাতে নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থার পাশাপাশি জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এবারও অতি গুরুত্বপূর্ণ বা ভিআইপি ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়।

নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ, অযু ও নামাজের সংরক্ষিত ব্যবস্থা ছিল। এছাড়া পর্যাপ্ত অযুখানাসহ মুসল্লিদের জন্য মেডিকেল টিমের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। সব মিলিয়ে সাড়ে তিন হাজার নারীসহ ঈদগাহ ময়দানে মোট ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের ব্যবস্থা করা হয়।

এসকে/এসএন

মন্তব্য করুন