ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে অস্থিরতা!
ছবি: সংগৃহীত
০৭:৩৬ এএম | ২৪ মার্চ, ২০২৬
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে। বিভিন্ন দেশে তেলের দাম বাড়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে অস্থিরতা বেড়ে চলেছে বৈশ্বিক তেলের বাজারে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরানের কড়াকড়িতে জ্বালানি মূল্য বাড়ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। খুচরা পর্যায়ে তেলের দাম আরও এক ধাপ বাড়ানো প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। এ খবরেই রাজধানী বেইজিংয়ের বিভিন্ন পাম্পে দীর্ঘ হচ্ছে গাড়ির লাইন। এর আগেও ইরান যুদ্ধের দ্বিতীয় সপ্তাহের মাথায় পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্য বাড়িয়েছে দেশটি।
তাইওয়ানের জ্বালানি বাজারে বেড়েছে পেট্রোলের দাম। লিটার প্রতি দাম বাড়ানোর কারণে সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ পেশাজীবীদের ওপর। ট্যাক্সি চালকরা জানান, দাম বাড়লেও ভাড়া অপরিবর্তিত থাকছে। বিপাকে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরাও। এরই মধ্যে দুই বার পেট্রোলের দাম বাড়িয়েছে তাইওয়ান প্রশাসন। আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভর করে এ মূল্য আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্পেনে জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে জ্বালানি কর কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। এরই মধ্যে লিটার প্রতি ২১ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ ভ্যাট কমানোর হয়েছে। কৃষি ও পরিবহন খাতেও ভর্তুকির ব্যবস্থা করেছে সরকার। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ কমাতে বিদ্যুৎ বিলের ভ্যাটও ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে।
স্লোভেনিয়ায় গ্যাস স্টেশনগুলোতে প্রতি গ্রাহকের জন্য ৩০ লিটার থেকে ৫০ লিটার সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য ৫০ ও ব্যবসায়িক কাজের জন্য ২০০ লিটার সীমা নির্ধারিত করা হয়। জ্বালানি সংকটে অনেক স্টেশন বন্ধ থাকায়, সচল পাম্পগুলোর সামনে তৈরি হয়েছে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন।
জ্বালানির দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে নাইজেরিয়ার ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবাসাতেও। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় প্রতিকূলতায় পড়েছেন উদ্যোক্তারা। বিশেষ করে সীমিত ঋণ সুবিধা ও অবকাঠামোর ঘাটতি থাকায় লিটার প্রতি তেলের মূল্যবৃদ্ধি তাদের জন্য নতুন বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইউটি/টিএ