© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

এই ঈদে দেশে এসেছে ৩৪ হাজার কোটি টাকা রেমিট্যান্স

শেয়ার করুন:
এই ঈদে দেশে এসেছে ৩৪ হাজার কোটি টাকা রেমিট্যান্স

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৫৫ পিএম | ২৪ মার্চ, ২০২৬
পবিত্র রমজান মাস শেষে ঈদুল ফিতরকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। পরিবার-পরিজনের বাড়তি খরচ ও ঈদের কেনাকাটা মেটাতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় একটু বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন। ফলে মার্চ মাসজুড়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে চাঙাভাব তৈরি হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে এসেছে ২৮৩ কোটি (২.৮৩ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। বর্তমান বিনিময় হার (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা) ধরে যার পরিমাণ প্রায় ৩৪ হাজার ৭৮৪ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদকে সামনে রেখে দেশে পরিবার-পরিজনের জন্য বাড়তি খরচের চাপ থাকে। এ সময় প্রবাসীরা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি অর্থ পাঠান। এর প্রভাবই এখন রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রতিফলিত হচ্ছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা মনে করছেন, চলমান এই ধারা অব্যাহত থাকলে মার্চ শেষে প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড তৈরি হতে পারে। এর আগে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩০২ কোটি (৩.০২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। গত বছরের একই মাসের তুলনায় এ প্রবৃদ্ধি ছিল ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫২ কোটি ডলার।

এদিকে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৫২৮ কোটি মার্কিন ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১১২ কোটি ডলার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রবাসী আয়ের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হবে এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট (গ্রোস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে এ রিজার্ভ ২৯ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার।

এক বছর আগে, অর্থাৎ গত বছরের মার্চে দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার, আর বিপিএম-৬ হিসাবে ছিল ২০ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এক বছরে রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার।

আরআই/এসএন

মন্তব্য করুন