© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ভরাট ও বেদখল হওয়া নদী-খাল পুনরুদ্ধার করা হবে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
ভরাট ও বেদখল হওয়া নদী-খাল পুনরুদ্ধার করা হবে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:৪৪ পিএম | ২৪ মার্চ, ২০২৬
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেছেন, সারা দেশের মতো আমাদের এখানেও (রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ) যেসব নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-জলাশয় বিগত দিনে বিভিন্নভাবে মানুষ দখল করে রেখেছে তা উদ্ধার করব। যেগুলোতে পলি পরে অকার্যকর হয়ে গেছে তার সবগুলো আমরা পুনরুদ্ধার করব। সরকারিভাবে ইতোমধ্যে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। এখানেও খনন কাজ যথা শিগগিরই শুরু করব।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষি উন্নয়ন ব্যবস্থাকে অনেকখানি ত্বরান্বিত করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারও সে পথে হাঁটতে শুরু করেছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের মুন্সী বাজার এলাকায় কৃষি কার্ড বিতরণের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী বাংলাদেশের কৃষকরা যাতে কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই কৃষি কাজ ভালোভাবে পরিচালনা করতে পারে সে ব্যাপারে কাজ আন্তরিকভাবে কাজ শুরু করেছে। এ লক্ষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর হতে সব ধরনের সহযোগিতা এবং কৃষি কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, পদ্মা নদীর ভাঙন এ এলাকার মানুষের প্রধান সমস্যা। এ সমস্যার প্রতিকার করতে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। এজন্য দেশে ১০টি জেলায় পাইলটিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে কৃষকদের হাতে কৃষি কার্ড তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়ন একটি। এ ইউনিয়নে আগামী পহেলা বৈশাখ কৃষি কার্ড বিতরণের শুভ উদ্বোধন করা হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের তেনাপচা কৃষি ব্লকে ইতোমধ্যে ১ হাজার ৩৫ জন কৃষকের জরিপ কাজ সম্পন্ন করে অনলাইনের মাধ্যমে তাদের তথ্য ঢাকায় পাঠিয়ে দিয়েছি। এর মধ্যে বড়, মাঝারি, প্রান্তিক, দুর্যোগ ও ভূমিহীন এই ৫ ধরনের কৃষক রয়েছে। এই কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রণোদনা সহায়তা পাবে।

এ সময় গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাথী দাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার, ওসি মোমিনুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সুলতান নুর ইসলাম মুন্নু মোল্লা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবলুসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী পরে পার্শ্ববর্তী পদ্মা নদীর ভাঙন-কবলিত নদীর পাড় ঘুরে দেখেন।

টিজে/এসএন 

মন্তব্য করুন