মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় এশিয়ায় জ্বালানি সংকট বাড়ছে
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৪৯ এএম | ২৫ মার্চ, ২০২৬
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়ায় জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তেল ও গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন এসেছে। এতে বিভিন্ন দেশে সাধারণ মানুষের জীবনে নেমে এসেছে কঠিন বাস্তবতা।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালি প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এই প্রণালির মাধ্যমে সরবরাহিত হয়, যার অধিকাংশই এশিয়ার জন্য। ফলে তেলের দাম বেড়েছে, সরবরাহ কমেছে, এবং পুরো অঞ্চল জ্বালানি সংকটের চাপের মধ্যে পড়েছে।
ফিলিপিন্সে এই সংকট সরাসরি পরিবহন খাতকে প্রভাবিত করেছে। দেশটির সরকার জ্বালানির ওপর জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। গাড়ি চালকদের আয় কমে গেছে, অনেকেই দিন শেষে কোনো অর্থ পাচ্ছেন না। কৃষক ও জেলেদের কাজও থমকে গেছে। সরকারের সহায়তা থাকলেও তা চাহিদার তুলনায় নগণ্য।
থাইল্যান্ডে সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। অফিসের কাজ বাসা থেকে করার, কম সময় কাজ করার এবং এসি সীমিত ব্যবহারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি কিনতে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে, এমনকি সপ্তাহে একদিন ছুটি দিয়ে জ্বালানি সাশ্রয়ের চেষ্টা চলছে।
ভারতেও সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে। গ্যাসের অভাবে কারখানা বন্ধ হচ্ছে, ফলে লাখো শ্রমিকের কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়েছে। অনেক রেস্তোরাঁ আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ, এবং মানুষ গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। মিয়ানমারেও জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য গাড়ি চলাচলে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে।
টিজে/টিকে