© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

স্বাধীনতা দিবসে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের শুভেচ্ছা, গভীর সম্পর্কের স্মৃতিচারণ

শেয়ার করুন:
স্বাধীনতা দিবসে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের শুভেচ্ছা, গভীর সম্পর্কের স্মৃতিচারণ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:৪১ পিএম | ২৫ মার্চ, ২০২৬
বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে এক আন্তরিক শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন। বার্তায় তিনি বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ২৬ মার্চ এ দেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

শুভেচ্ছা বার্তায় রুশ রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের ‘বিভাজন ও শাসন’ নীতির কারণে উপমহাদেশে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল, তা পরবর্তীতে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের পথ প্রশস্ত করে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার শক্তিশালী আন্দোলনের সূচনা করে। এই সংগ্রামের মূলে ছিল ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের আকাঙ্ক্ষা।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বিশেষ করে বস্ত্রখাতে বাংলাদেশ আজ বিশ্বনেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে। এমনকি কোভিড-১৯ মহামারির মতো বৈশ্বিক সংকটেও দেশটি উচ্চ প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি সুন্দরবন ও রিকশা পেইন্টিংয়ের মতো বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির কথাও উল্লেখ করেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভূমিকা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ আজ ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর একটি শক্তিশালী কণ্ঠস্বর। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দুই লক্ষাধিক শান্তিরক্ষী মোতায়েন করে দেশটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

ঐতিহাসিক সম্পর্কের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৭২ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশগুলোর একটি। স্বাধীনতার পর সোভিয়েত বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও চট্টগ্রাম বন্দরে মাইন অপসারণ কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন।

বর্তমানে রাশিয়ার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ প্রকল্প ও পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত। 

তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং উভয় দেশের জনগণের কল্যাণ বয়ে আনবে। পরিশেষে তিনি বাংলাদেশের অব্যাহত সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

এসএস/এসএন

মন্তব্য করুন