মার্কিন সেনারা নেতানিয়াহুর বিভ্রমের শিকার হবে: ইরানের স্পিকার
ছবি: সংগৃহীত
০৬:৫৪ পিএম | ২৫ মার্চ, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আরও সেনা পাঠানোর ব্যাপারে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেছেন, ইরান পুরো অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের তৎপরতা, বিশেষ করে সেনা মোতায়েন গভীরভাবে নজরদারি করছে। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা।
তিনি বলেন, ‘জেনারেলরা যা নষ্ট করেছে, সেনারা তা ঠিক করতে পারবে না; বরং তারা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিভ্রান্তিকর সিদ্ধান্তের শিকার হবে। আমাদের দেশ রক্ষার সংকল্পকে পরীক্ষা করবেন না।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপি জানিয়েছে, ইরান অভিযানে অংশ নিতে মধ্যপ্রাচ্যে আরও সহস্রাধিক সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিবেদন মতে, মার্কিন সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের ১ হাজারের বেশি সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে।
এছাড়া দুইটি মেরিন ইউনিট মোতায়েন করা হচ্ছে, যার ফলে প্রায় ৫ হাজার মেরিন ও হাজার হাজার নৌসেনা ওই অঞ্চলে যোগ হবে। এই অঞ্চলে এরই মধ্যে ৫০ হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
ইরানের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে বলে ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে বোমা হামলার হুমকি স্থগিত করার ঠিক একদিন পরই এই অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর খবরটি আসে। প্রতিক্রিয়ায় হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার।
এদিকে ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তান এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ইরানেরর কাছে পৌঁছে দিয়েছে। সূত্রের বরাতে আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
আল জাজিরার সাংবাদিক ওসামা বিন জাবাইদ জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন পাকিস্তানকে একটি নথি দেয়, যেখানে যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো উল্লেখ রয়েছে। সেই নথিটিই পাকিস্তান ইরানের হাতে তুলে দিয়েছে। এখন ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
এছাড়াও খবর রয়েছে, খুব শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে একটি বৈঠক হতে পারে। পাকিস্তান এখানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব ইরানের কাছে পৌঁছে দিয়েছে, এখন ইরান কী সিদ্ধান্ত নেয় সেটাই দেখার বিষয়।
এদিকে তুরস্ক জানিয়েছে, তারা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান–প্রদানে ভূমিকা রাখছে। তুরস্কের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির বৈদেশিক বিষয়ক ভাইস চেয়ারম্যান হারুন আরমাগান বলেন, আংকারা দুই দেশের মধ্যে ‘বার্তা পৌঁছে দেয়ার কাজ’ করছে।
এবি/টিএ
এবি/টিএ