© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাসে থাকা কুষ্টিয়ার যাত্রীদের পরিচয় মিলেছে

শেয়ার করুন:
পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাসে থাকা কুষ্টিয়ার যাত্রীদের পরিচয় মিলেছে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:২৭ পিএম | ২৫ মার্চ, ২০২৬
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিতে উঠতে গিয়ে উল্টে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটিতে থাকা কুষ্টিয়ার কুমারখালী তিনজন যাত্রী নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে পাঁচজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছেন বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) বেলা আড়াইটার দিকে সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

বাসটির কুমারখালী টিকিট কাউন্টার সূত্রে জানা যায়, এতে চালক হেল্পারসসহ অন্তত ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। কুমারখালী পৌর বাস টার্মিনাল থেকে শিশুসহ ৮জন যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায় বাসটি। তারা হলেন- গিয়াস উদ্দিন রিপন(৪৫), তার স্ত্রী লিটা খাতুন (৩৭) এবং তাদের সন্তান আবুল কাসেম সাফি (১৭), আয়েশা বিন্তে গিয়াস (১৩)। গিয়াস খোকসা উপজেলার শোমসপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কুমারখালী পৌর ভবন এলাকার মৃত বকুল বিশ্বাসের জামাই। শ্বশুর বাড়িতে ঈদের ছুটি কাটিয়ে পরিবার নিয়ে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঢাকার তাকওয়া ফুড প্রোডাক্টের কারখানায় ফিরছিলেন।

অন্যরা হলেন- মো. নুরুজ্জামান (৩২), তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার (৩০) এবং তাদের সন্তান নওয়ারা আক্তার (৪) ও আরশান ( ৭ মাস)। তারা ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের খোন্দকবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। নুরুজ্জামান ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। এই দুইটি পরিবারের মধ্যে আয়েশা, আরশান ও আয়েশা বিন্তে গিয়াস নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

সৌহার্দ্য পরিবহনের কুমারখালী বাস কাউন্টার মাস্টার তন্ময় আহমেদ বলেন, ‘দুপুর আড়াইটার দিকে ৬টি সিটে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায় বাসটি। এরপর খোকসা থেকে ৭ জন, মাছপাড়ার ৪ জন, পাংশার ১৫ জন, চালক, হেল্পারসহ মোট ৫০ জন ছিলেন।’

তার ভাষ্য, ৪০ সিটের বাসে মোট ৫০ জন ছিল। ব্রেক ফেল করে গাড়িটি নদীতে নেমে গেছে। যাত্রীদের কারো পরিচয় জানা নেই।

কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা বলেন, ‘কুমারখালী থেকে শিশুসহ ৮ যাত্রী নিয়ে বাসটি ছেড়ে গিয়েছিল। তাদের বাড়ি খোকসা ও শৈলকূপা উপজেলায়। আটজনের মধ্যে তিনজন নিখোঁজের তথ্য পাওয়া গেছে।’

এমআর/টিকে 

মন্তব্য করুন