সম্পত্তি নিয়ে জটিলতার জেরে এবার সঞ্জয়ের ট্রাস্ট থেকে শাশুড়িকে সরানোর দাবি প্রিয়ার!
ছবি: সংগৃহীত
০৪:০৬ এএম | ২৬ মার্চ, ২০২৬
দিনটা ছিল ১২ জুন। লন্ডনে পোলো খেলার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আকস্মিক মৃত্যু হয় অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুরের প্রাক্তন স্বামী ও সোনা কমস্টারের চেয়ারম্যান সঞ্জয় কাপুরের। তাঁর মৃত্যুর পর প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি ঘিরে পারিবারিক অন্তর্কলহ হয়ে উঠেছিল পেজ ৩- এর চর্চিত টপিক। পরিবারের সেই মামলা চলছে দিল্লি হাই কোর্টে। সম্পত্তি নিয়ে আইনি জটিলতার মাঝেই সামনে এল আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
সঞ্জয়ের ‘আরকে ফ্যামিলি ট্রাস্ট’- এর ট্রাস্টি পদ থেকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন প্রিয়া। সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর প্রতিবেদন মোতাবেক, প্রিয়া এই ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য। ২৫ মার্চ একটি নোটিস জারি করে শাশুড়িকে ট্রাস্টির পদ থেকে অপসারণের দাবি তুলেছেন। সঞ্জয়ের ‘আরকে ফ্যামিলি ট্রাস্ট’ সংক্রান্ত নোটিসে জানানো হয়েছে, ২০১৭ সালে ব্যক্তিগত ও অপরিবর্তনীয় ট্রাস্ট হিসেবে এই ট্রাস্টটি গঠন করা হয়েছিল। মৃত্যুর প্রাক্কালে সঞ্জয়ই ছিলেন ‘আরকে ফ্যামিলি ট্রাস্ট’-এর একমাত্র সুবিধাভোগী। কিন্তু, গত জুনে তাঁর মৃত্যুর পর নিয়ম অনুযায়ী ট্রাস্টের সুবিধাভোগ করতে পারবেন সন্তানরা।
মৃত্যুর প্রাক্কালে সঞ্জয়ই ছিলেন ‘আরকে ফ্যামিলি ট্রাস্ট’-এর একমাত্র সুবিধাভোগী। কিন্তু, গত জুনে তাঁর মৃত্যুর পর নিয়ম অনুযায়ী ট্রাস্টের সুবিধাভোগ করতে পারবেন সন্তানরা।

নোটিসে উল্লেখ রয়েছে প্রাক্তন স্ত্রী করিশ্মার দুই সন্তান কিয়ান কাপুর, সামাইরা কাপুর ও প্রিয়ার পুত্র আজারিয়াস কাপুর ও কন্যা সাফিয়ার নাম। শাশুড়ির বিরুদ্ধে সঞ্জয় ঘরনি প্রিয়া অভিযোগ জানিয়ে নোটিসে লিখেছেন, ব্যক্তিগত স্বার্থে তিনি এই ট্রাস্ট ব্যবহার করছেন। তাই রানি কাপুরের নাম সরিয়ে দেওয়া হোক। ২৫ মার্চ থেকেই যেন এই নিয়ম কার্যকরী হয়।
ট্রাস্ট ডিডের ধারা ৮.১১ অনুযায়ী, রানি কাপুরকে ট্রাস্টি পদ থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন প্রিয়া। শাশুড়ির কিছু কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২৬- এর জানুয়ারিতে জারি করা একটি ‘সিজ-অ্যান্ড-ডেসিস্ট’ নোটিসের কথাও উল্লেখ রয়েছে।
অন্যদিকে ট্রাস্টের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবং ট্রাস্টের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে দিল্লি হাই কোর্টে রানি কাপুরের আবেদনের বিষয়ের কথাও বলা রয়েছে। সঞ্জয়ের মায়ের এই পদক্ষেপ ট্রাস্টের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করেন প্রিয়া। সেই জন্যই ট্রাস্টির পদ থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এসকে/টিকে