© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : মঈন খান

শেয়ার করুন:
মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : মঈন খান

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:১০ এএম | ২৭ মার্চ, ২০২৬
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নির্ণায়ক বিজয়ের পর বিএনপি দ্রুত সময়ের মধ্যেই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিএনপি।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) নরসিংদীর পলাশে ৫৫তম স্বাধীনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত একাধিক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মঈন খান বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মহান স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দলটির জন্ম। তাই স্বাধীনতার চেতনা ও জাতীয়তাবাদ রক্ষায় বিএনপিই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য শক্তি।
 
তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় বিএনপি সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে। ড. মঈন উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ এখনো মুক্তিযুদ্ধের মূল আদর্শ-সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার-সম্পূর্ণভাবে অর্জন করতে পারেনি। বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনের স্বপ্ন এখনো অনেকাংশে অপূর্ণ রয়ে গেছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা নেতৃত্ব গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। তবে প্রতিবারই দেশের জনগণ অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে এবং ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল সমাজ থেকে অন্যায় ও বৈষম্য দূর করা এবং একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে সেই লক্ষ্য বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তিনি ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের সময়ে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন এবং ১৯৮২ সালের সামরিক শাসনের কথা উল্লেখ করে বলেন, এসব পদক্ষেপ দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করেছে।

২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়কাল নিয়েও সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ সময়ে স্বৈরাচারী শাসনের কারণে জনগণের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরে বৈষম্য আরও গভীর হয়েছে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার জনগণের অধিকার সংকুচিত করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, এখনো দেশে বিভিন্ন ধরনের বৈষম্য বিদ্যমান-ধনী-গরিবের বৈষম্য, ক্ষমতাবান ও সাধারণ মানুষের ব্যবধান, আঞ্চলিক বৈষম্য এবং নারী-পুরুষের মধ্যে অসমতা। বিশেষ করে পাহাড়ি, উপকূলীয় ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণ এখনো সমান সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন