© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

তামাককে না বলি, জীবনকে হ্যাঁ বলি : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
তামাককে না বলি, জীবনকে হ্যাঁ বলি : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৪২ এএম | ২৮ মার্চ, ২০২৬
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গা থেকে স্লোগান তুলবো 'তামাককে না বলি, জীবনকে হ্যাঁ বলি'। তিনি বলেন, আমাদের দেশে যে পরিমাণ আইন আছে, এত আইন অন্য দেশে নেই। আইনের প্রতি আমাদের সচেতন হতে হবে, তবেই আমরা আইনকে সম্মান করতে পারবো। 

শুক্রবার (২৭ মার্চ) ঢাকায় বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রহমান রুমে ‘ইয়্যুথ কনফারেন্স অন প্রোটেক্টিং হেলথ অব ওমেন, চিলড্রেন অ্যান্ড ইয়্যুথ ফ্রম টোবাকো হার্মস’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আকতার ডলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি অনকোলজিস্টের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম মহিউদ্দীন ফারুক, টিচার্স ফোরাম অ্যাগেইনস্ট টোব্যাকোর সদস্য সাবিনা আকতার আরজু, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব শিবানী ভট্টাচার্য এবং বিসিআইসির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন নারী মৈত্রীর টোব্যাকো কন্ট্রোল প্রজেক্ট-এর প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর নাছরিন আকতার। সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, কিন্তু আমাদের দেশে কি ধর্ষণ কমেছে? তামাক বিরোধী আইন আছে। ২০০৫ সালে এই আইন করা হয়।

দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেছে, তাহলে কেন তামাক সেবন বন্ধ হয়নি? এখনো দেখা যায় মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছেন। তাই দেশকে তামাকমুক্ত করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিগারেট খাওয়া, তামাক সেবন করা মানুষের জীবনকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়। বিভিন্ন নিষিদ্ধ ড্রাগ কিডনিসহ নানা ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। যারা মাদককে ‘না’ বলে-আমি তাদের সাধুবাদ জানাই।

প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, আমাদের তরুণদের বোঝাতে হবে, সচেতন করে তুলতে হবে।  তাদের বলতে হবে-এ ধরনের ড্রাগ থেকে শরীরে নানা রোগের সৃষ্টি হয়। শরীর দুর্বল হয়, মেধার বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।

তিনি বলেন, আজকে যারা আমার সামনে বসে আছে, এই টগবগে তরুণদের কাছ থেকে অনেক কিছু আমাদের শেখার আছে। এই তরুণরা আমাদের কাছে বটবৃক্ষের মতো। তাদের কাছ থেকে আমাদের শেখার অনেক কিছু আছে।  

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের তরুণ, যুবক, নারী ও শিশুকে রক্ষা করতে হবে, কেউ পথভ্রষ্ট হলে তাকে আমাদের ফিরিয়ে আনতে। এজন্য তিনি প্রত্যেক পরিবারের অভিভাবক থেকে শুরু করে তাদের ছেলে-মেয়েদের সচেতন করে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন