© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কেন্দুয়ায় দুই শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত

শেয়ার করুন:
কেন্দুয়ায় দুই শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:৫৫ পিএম | ০১ এপ্রিল, ২০২৬
চলতি মাসে এখন পর্যন্ত কোনো রোগী হাম আক্রান্ত হয়ে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো রোগী ভর্তি হয়নি। তবে উপজেলার মাঠ পর্যায়ে হাম আক্রান্ত ২ শিশুকে শনাক্ত করা হয়েছে। স্বস্তির বিষয় এই যে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এই রোগের ৩ হাজার ডোজ টিকা সংরক্ষিত রয়েছে হাসপাতালে।

বুধবার (১ এপ্রিল ) দুপুরে সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) মো.শাহিদুল আলম।

শাহিদুল আলম বলেন, ‘যে দুই যমজ শিশু হাম রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে তারা কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা না নিয়ে সরাসরি ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষা করার পর তাদের হাম ধরা পড়ে এবং তারা দুইজনই ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি আছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে সারা দেশে হাম রোগী দেখা যাচ্ছে। আমাদের হাসপাতালে এখনো পর্যন্ত সরাসরি হাম আক্রান্ত এমন কোনো রোগী না পাওয়া গেলেও জ্বর ও কাশিতে আক্রান্ত রোগী বা শিশু পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় আক্রান্তের ঝুঁকিও তাদের বেশি।

এক্ষেত্রে সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।’ কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাইম হাসান জানান, হাম একটি ভাইরাস জনিত ও ছোঁয়াছে রোগ। এটি প্রতিরোধের প্রধান টিকা এমএমআর; হাম, মাম্পস ও রুবেলা এই তিন রোগের সুরক্ষা দেয়। তা ছাড়া হামের জন্যে শুধু ভ্যাকসিনও দেওয়া যায়।

ইপিআই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় সাধারণত প্রথম ডোজ ৯ মাস বয়সে এবং দ্বিতীয় ডোজ ১৫ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়া হয়। তাই শিশুদের জ্বর বা কাশি হলে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে যোগাযোগের পরামর্শও দেন তিনি।

আইকে/টিএ

মন্তব্য করুন