© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

শত্রুর অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান আমাদের নিশানায়: কড়াবার্তা ইরানের

শেয়ার করুন:
শত্রুর অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান আমাদের নিশানায়: কড়াবার্তা ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:৫৭ পিএম | ০৪ এপ্রিল, ২০২৬
ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের যেকোনো উন্নত যুদ্ধবিমান ও ড্রোন শনাক্ত ও ধ্বংস করতে সম্পূর্ণ সক্ষম বলে জানিয়েছেন খাতাম আল-আম্বিয়া জয়েন্ট এয়ার ডিফেন্স হেডকোয়ার্টার্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা এলহামি।

শনিবার (৪ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি জানান, সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে তোলা এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে শত্রুর গতিবিধির ওপর কড়া নজর রাখছে।

জেনারেল এলহামি বলেন, "সাম্প্রতিক এই সাফল্যগুলো ইরানি বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটের সদস্যদের কঠোর পরিশ্রম এবং আত্মত্যাগের ফসল। বিশেষ করে সেনাবাহিনী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই সক্ষমতা অর্জিত হয়েছে।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী এ পর্যন্ত কয়েক ডজন শত্রু যুদ্ধবিমান এবং ১৬০টিরও বেশি মনুষ্যবিহীন ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। এসব ড্রোনের মধ্যে মার্কিন MQ-9 Reaper, Hermes, এবং LUCAS-এর মতো অত্যাধুনিক মডেলের ড্রোনও রয়েছে।

ইরানের এই উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা জানান, তাদের বাহিনী শত্রুপক্ষের চতুর্থ এবং পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানগুলোকেও সফলভাবে লক্ষ্যবস্তু করতে ও ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ইরানের সেনাবাহিনী এবং আইআরজিসি-র আধুনিক সরঞ্জাম এবং সম্পূর্ণ দেশীয় কৌশল ব্যবহারের কারণেই এসব অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা সম্ভব হয়েছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের সেনাবাহিনী আমেরিকার একটি A-10 Warthog যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘোষণাও দিয়েছে।
বিবৃতিতে এলহামি বলেন, ইরানের আকাশসীমা রক্ষায় দেশটির একীভূত বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের সদস্যরা অবিচল। তাদের সাহস ও স্থিতিস্থাপকতা শত্রুপক্ষকে হতবাক করে দিয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও এর শত্রুপক্ষীয় জোটের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একটি উস্কানিমূলক সামরিক অভিযান শুরু করেছে, যার ফলে দেশটির উচ্চপদস্থ সামরিক কমান্ডার এবং বেসামরিক নাগরিকরা হতাহত হয়েছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এলাকা এবং ইসরায়েলি অবস্থানগুলোতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
বর্তমানে পুরো অঞ্চলে চরম সামরিক উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং ইরান তাদের আকাশসীমা সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।

এবি/টিএ

মন্তব্য করুন