দেখে নিন নারী সেজে থাকা সেই ছাত্রদল নেতা বাস্তবে কেমন
ছবি: সংগৃহীত
০১:২৩ এএম | ০৭ এপ্রিল, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার সৈয়দাবাদ আদর্শ মহাবিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক রেদোয়ান ইসলামকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে রেদোয়ান লিঙ্গ পরিবর্তনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তিনি আসলে ছেলে থেকে মেয়ে হননি বরং তিনি নারী সেজেই টিকটক করতেন। এজন্য তিনি ক্ষমাও চেয়েছেন।
রেদোয়ান ইসলাম ফেসবুকে ‘রিহিয়া রিহি’ নামে একটি পেজ চালান। সেই পেজ ঘেঁটে দেখা যায়, তিনি নারী সেজে বিভিন্ন স্টাইলে ছবি তুলে ওই পেজে আপলোড করতেন। তিনি যে প্রকৃতপক্ষে নারী নন সেটি তার ছবি, রিলস দেখে বোঝা দুষ্কর। তবে তার প্রকৃত বেশকিছু ছবি গণমাধ্যমে এসেছে।
তার এ পেজটিতে ফলোয়ারের সংখ্যা ২৫ হাজারেরও বেশি। এর পাশাপাশি তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। বিষটি জানাজানি হওয়ার পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ ঘটনায় নেটিজেনদের মাঝে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে রোববার তার পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, আপনারা অনেকেই আমার গত কিছু ভিডিওর কারণে কষ্ট পেয়েছেন, আমি অনেকের মনে কষ্ট দিয়ে ফেলেছি, আপনারা বিভিন্নভাবে মেসেজ, কল দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। আসলে আমি এগুলো মজার ছলে, বিনোদনের উদ্দেশে তৈরি করেছিলাম। আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি, আমি সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আমাকে এখন থেকে রাস্তায়, অথবা অন্য কোথাও দেখলে খারাপ কথা বলবেন না, নিজের ভাইয়ের মতো আচরণ করলে, আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সহজ হবে।আবারও আমি আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।
আরেক পোস্টে রেদোয়ান দাবি করেন, তিনি আসলে ট্রান্সজেন্ডার নন। তাকে ঘিরে ছড়ানো ট্রান্সজেন্ডার সংক্রান্ত তথ্য সম্পূর্ণ গুজব। এ প্রসঙ্গে তার ভাষ্য, ‘আমি ট্রান্সজেন্ডার নই। আমি একজন সম্পূর্ণ ছেলে এবং একজন সংস্কৃতিকর্মী। দীর্ঘদিন ধরে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত আছি। কিছু কন্টেন্টের কারণে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তার জন্য দুঃখিত। ইতোমধ্যে সেসব কন্টেন্ট সরিয়ে ফেলেছি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকব।’
তিনি আরও লেখেন, ‘যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস বা প্রচার না করতে, কারণ ভুল ধারণা একজন মানুষের সম্মানহানি করতে পারে।’ রেদোয়ান ইতোমধ্যে তার টিকটক ও ইনস্টাগ্রাম আইডিও ডিঅ্যাক্টিভেট করে দিয়েছেন।
এমআই/টিএ