কিছু আসামিকে মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে: আবু সাঈদের ভাই
ছবি: সংগৃহীত
১২:২৩ পিএম | ০৯ এপ্রিল, ২০২৬
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার কিছু আসামিকে মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বড় ভাই রমজান আলী।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমাদের না জানিয়ে কিছু আসামিকে মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। কিছু সাক্ষী এখান থেকে ফেরত গেছেন। আমরা বর্তমান চিফ প্রসিকিউটরকে এ বিষয়ে অবগত করেছি। রায় দেয়ার পর আমরা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেব।
আবু সাঈদ হত্যা ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা ফাঁসি চেয়েছেন তার দুই ভাই। ন্যায় বিচারের প্রত্যাশা তাদের।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে বৃহস্পতিবার।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ এ মামলার মোট আসামি ৩০ জন।
আবু সাঈদের মামলার ৩০ আসামির মধ্যে ৬ জন গ্রেফতার আছেন। তারা হলেন: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সাবেক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।
বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ এ মামলার ২৪ আসামি পলাতক। পলাতক আসামির মধ্যে রয়েছেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমান, সাবেক সেকশন অফিসার মো. মনিরুজ্জামান পলাশ, বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মন্ডল।
২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। তাকে হত্যার ভিডিও সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি করে। ভিডিওতে দেখা যায়, আবু সাঈদ দুই হাত প্রসারিত করে সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে আছেন আর পুলিশ তার বুকে একের পর এক গুলি করছে। এ হত্যাকাণ্ড আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং সারা দেশে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
এমআই/এসএন