গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে তাড়া করবে জনগণ: সারোয়ার তুষার
ছবি: সংগৃহীত
০২:০৯ পিএম | ০৯ এপ্রিল, ২০২৬
গণভোটের ফলাফল বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত জনগণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তাড়া করে বেড়াবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ভবনে আয়োজিত ‘সংবিধান ও সংস্কার: নতুন বাংলাদেশ নাকি পুরোনো ফ্যাসিবাদ’ শীর্ষক সংস্কার আলাপে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।
তুষার বলেন, ‘বিএনপি বারবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা বললেও তারা অনেক বিষয় ভায়োলেট করেছে। সংসদ নেতা নিজে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও তার হয়ে আরেকজন কথা বলেন, যেটা অপ্রত্যাশিত। প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান রাজনীতি হলো জেসচার পলিটিক্স।’
তিনি আরও বলেন, ‘গণভোটের ফলাফল বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে তাড়া করে বেড়াবে জনগণ। আওয়ামী লীগ হচ্ছে সফল বিএনপি আর বিএনপি হচ্ছে ব্যর্থ আওয়ামী লীগ।’
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, ‘যারা বলে জনগণ না বুঝে গণভোটে রায় দিয়েছে, তাহলে যারা ৫১ শতাংশ ভোট পেয়েছে সেটাও জনগণ না বুঝেই দিয়ে ফেলেছে।’
সরকার বিচার বিভাগের বারোটা বাজাচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘জুডিসিয়ারি আর পার্লামেন্টের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি করছে বর্তমান পার্লামেন্ট। সুপ্রিম কোর্ট স্বাধীন থাকতে চাচ্ছে, অন্যদিকে পার্লামেন্ট তাকে পরাধীন করে রাখছে।’
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘সংবিধানের দোহায় দিয়ে সংকট তৈরি করার প্রচেষ্টা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। পারিবারিক রাজতন্ত্র কায়েম করলেন ক্রিকেট বোর্ডে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নেপোক্রিটসরা স্যুট টাই পরে আবার বাংলাদেশে ফিরেছে, জুলাইয়ে যাদের কোনো অবদান নাই। আপনাদের সতর্ক করছি, পতনের আন্দোলন নয়। সাবধান না হলে হুট করেই একদিন সকালে বিমান আসার খবর পাবেন আপনাদেরই কর্মচারীদের মাধ্যমে। শেখ মুজিব আর তার পরিবারের একাত্তর নিয়ে হীনমন্যতা কাটাতেই তাদের চেতনা ব্যবসা করতে হয়েছে।’
ফুয়াদ বলেন, ‘চব্বিশের আয়নায় তাকালে বিএনপি দেখে: বিএনপির ব্যানার ধরার কোনো মিছিল নাই, প্রতিবাদের ঝড় নাই। সেসময় তারা বলেছিল এই আন্দোলনের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নাই। এই হীনমন্যতা তাদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে। সংবিধান নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক সমাধানে আমি আর শিশির মনির সরকারকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে গেলাম, পারলে ডাকসুতে আসেন আলোচনার টেবিলে কথা হবে।’
কেএন/এসএন