কুড়িগ্রামে ১১ দলের বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেনি এনসিপি
ছবি: সংগৃহীত
০৮:৩০ পিএম | ১২ এপ্রিল, ২০২৬
অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জ্বালানি সংকট নিরসনের দাবিতে কুড়িগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে মিছিলে অংশগ্রহণ করেনি এনসিপি।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে দোয়েল চত্বর, শাপলা চত্বর ও দাদা মোড় হয়ে ইসলামী ব্যাংকের সামনের সিংহ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে এ দেশের মানুষ চেয়েছিল নতুন বাংলাদেশে আর কোনো বৈষম্য বা দলীয় কর থাকবে না, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি জুলাই সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা আমীর অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। আমরা সেটাও মেনে নিতে রাজি, যদি মানুষের গণঅধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকার ভূমিকা রাখে। কিন্তু মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে আমরা আবার রাস্তায় নেমেছি- সরকারের বিরুদ্ধে জনঐক্যমত গড়ে তুলতে আন্দোলন করছি।
তিনি বিএনপির উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ক্ষমতায় এসে বিএনপি রক্তের সঙ্গে বেঈমানি শুরু করেছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে বাংলাদেশের মানুষকে রাজপথ থেকে সরানো যাবে না। বিএনপি যদি ফ্যাসিস্ট হওয়ার ষড়যন্ত্র করে, তাহলে আমরা আবু সাঈদ, মুগ্ধ, হাদী হয়ে রাজপথে জীবন দিয়ে তা মোকাবিলা করব।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নিজাম উদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর নুর উদ্দিন কাসেমী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শাহজালাল সবুজ, আব্দুল হামিদ এবং জামায়াত নেতা ছামছুল হুদা মিঠু প্রমুখ।
মিছিলে যোগ না দেওয়ার বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক মুকুল মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে তাদের কাছে কোনো নির্দেশনা আসেনি। তাই তারা এতে অংশগ্রহণ করেননি।
আইকে/টিএ