© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মত বদলে দেশে ফেরায় সম্পদ ফিরে পাচ্ছেন ইরানের অধিনায়ক

শেয়ার করুন:
মত বদলে দেশে ফেরায় সম্পদ ফিরে পাচ্ছেন ইরানের অধিনায়ক

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:৪৭ পিএম | ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
ইরান নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক জাহরা ঘানবারির ওপর থেকে সব বিধি-নিষেধ তুলে নিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার ঘটনায় তার যে সম্পদ ও স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল, আদালতের নির্দেশে তা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত মার্চে। এএফসি নারী এশিয়ান কাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিল ইরান দল।

ঠিক সেই সময়েই ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হয়। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জাহরাসহ দলের ছয় ফুটবলার ও এক কর্মকর্তা অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন।

তবে কয়েক দিন পরই মত বদলান জাহরা। চার সতীর্থকে নিয়ে গত ১৯ মার্চ ইরানের রাজধানী তেহরানে ফিরে যান তিনি।

বিমানবন্দরে তাদের বীরোচিত সংবর্ধনাও দেওয়া হয়।

ইরানের বিচার বিভাগীয় সংবাদ সংস্থা ‘মিজান’ জানিয়েছে, আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসায় ও নিজেকে নির্দোষ ঘোষণা করার পর আদালত জাহরার সম্পদ হস্তান্তরের আদেশ দিয়েছেন।

মাত্র দুদিন আগে ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলো একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল। সেখানে যুদ্ধ শুরুর পর যারা দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন, তাদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
সেই তালিকায় অধিনায়ক জাহরার নামও ছিল।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, বিদেশে খেলতে যাওয়া ক্রীড়াবিদরা যেন দলছুট না হন, সে জন্য তাদের পরিবারের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি বা সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার মতো কৌশল নেয় ইরান সরকার।



এ ক্ষেত্রে ফুটবলারদের মা-বাবাকে গোয়েন্দা সংস্থা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ইরান সরকার পাল্টা দাবি করেছে, অস্ট্রেলিয়াই ইরানি ফুটবলারদের তাদের দেশে থেকে যেতে প্ররোচিত করেছিল।

এশিয়ান কাপে প্রথম ম্যাচে জাতীয় সংগীত না গেয়ে কট্টরপন্থীদের তোপের মুখে পড়েছিলের ইরানের কয়েকজন।

অবশ্য পরের ম্যাচগুলোয় তারা জাতীয় সংগীত গান। তেহরানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও সেই দৃশ্য ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া থেকে সেই সাতজনের মধ্যে পাঁচজন ফিরে এলেও অন্য দুজন এখনো দেশটিতেই অবস্থান করছেন। তারা বর্তমানে ব্রিসবেন রোর ক্লাবের হয়ে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

টিজে/টিএ  

মন্তব্য করুন