শাহ আমানতে ২ দিনে আরও ৯ ফ্লাইট বাতিল
ছবি: সংগৃহীত
০২:০৩ এএম | ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি চললেও এর নেতিবাচক প্রভাব এখনো পুরোপুরি কাটেনি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। গত শনিবার থেকে ফ্লাইট চলাচলে কিছুটা উন্নতি হলেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। সর্বশেষ গত রবি ও সোমবার (১২ ও ১৩ এপ্রিল) দুই দিনে এই বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা আরো ৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এ নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থা ও পরবর্তী যুদ্ধবিরতির এই দেড় মাসে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সর্বমোট ৩০৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা ঘটল।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত দুই দিনে বাতিল হওয়া ৯টি ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা দুটি এবং মধ্যপ্রাচ্যগামী একটি ফ্লাইট। এ ছাড়া দেশীয় আরেক সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা দুটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ থেকে আসা একটি ও শারজাহগামী একটি এবং সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি ও মাস্কাটগামী একটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
ফ্লাইট বাতিলে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হলেও পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত দুই দিনে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ১৫টি ফ্লাইট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে এবং ১৫টি ফ্লাইট চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে গেছে।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, গত শনিবার থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলার শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি থেকে চট্টগ্রাম রুটের ফ্লাইটগুলোর স্থবিরতা কিছুটা কাটতে শুরু করেছে। তবে ফ্লাইট চলাচলের শিডিউল এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো কাজ করে যাচ্ছে।
আরআই/টিকে