© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

মানবতাবিরোধী অপরাধফের পিছিয়েছে নানক-তাপসসহ ২৮ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি

শেয়ার করুন:
ফের পিছিয়েছে নানক-তাপসসহ ২৮ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:৫২ পিএম | ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দ্বিতীয় দফায় পিছিয়েছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ। প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৬ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

এ মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ মোট আসামি ২৮ জন। এর মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন চারজন। অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি থাকায় তাদের আজ সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। 

তারা হলেন- নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে এক সপ্তাহ সময় চান প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, আমরা এক সপ্তাহ সময়ের আবেদন করছি। পরবর্তী তারিখে প্রথমে প্রসিকিউশন, পরে আসামিপক্ষ শুনানি উপস্থাপন করবে।

এ সময় আসামিপক্ষের কথা শুনতে চান ট্রাইব্যুনাল। তারা ডিসচার্জ চেয়ে আবেদন করবেন বলে জানান। পরে অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানির জন্য আগামী ২৬ এপ্রিল দিন ধার্য করেন আদালত। ওই দিন উভয়পক্ষকেই শুনানির জন্য বলা হয়।

এ মামলায় পলাতক আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম রাষ্ট্রন। তাদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে, ৮ এপ্রিল শুনানির কথা ছিল। তবে প্রসিকিউশন থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এজন্য সময় চাইলে আজকের দিন ঠিক করা হয়। তবে আজও হয়নি চার্জ গঠনের শুনানি। সবমিলিয়ে দুবার পিছিয়েছে এ তারিখ।

চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ২৮ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
 
এ মামলায় আনা তিনটি অভিযোগে প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নৃশংসতা চালায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে জুলাই আন্দোলনে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমান সৈকত, ফারহান ফাইয়াজসহ ৯ জন নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে।

কেএন/টিএ

মন্তব্য করুন