© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বিশ্ববাজারে আরও কমল জ্বালানি তেলের দাম

শেয়ার করুন:
বিশ্ববাজারে আরও কমল জ্বালানি তেলের দাম

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:০২ পিএম | ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
ইরানের সঙ্গে আরেকবার আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-এমন সম্ভাবনা জাগার পর দ্বিতীয় দিনের মতো কমেছে তেলের দাম। তবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং শঙ্কা বেড়েই চলছে। খবর দ্য ইকোনোমিকস টাইমসের

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্স ৫২ সেন্ট বা ০.৫৫% কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪.২৭ ডলারে নেমে আসে।আগের সেশনে এটি ৪.৬% কমেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ১.০৪ ডলার বা ১.১% কমে ৯০.২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

মূলত মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশ্বাসের পর দামে এই পতন দেখা গেছে। ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলা সংঘাত শেষ করতে আগামী দুই দিনের মধ্যেই পাকিস্তানে আবার শুরু হতে পারে আলোচনা।

গত সপ্তাহে আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করে। তবে নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় আশা করা হচ্ছে, এতে অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে।

ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান ম্যাকুয়ের জানিয়েছে, উত্তেজনা কমলেও তেলের দাম ৮৫ থেকে ৯০ ডলারের মধ্যে স্থিতিশীল থাকতে পারে। ধীরে ধীরে ১১০ ডলারের দিকে যেতে পারে। যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক না হয় এবং এপ্রিলজুড়ে বিঘ্ন চলতে থাকে, তাহলে ব্রেন্ট তেলের দাম ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।

কোটাক সিকিউরিটিসের কায়ানাত চেইনওয়ালার মতে, স্বল্পমেয়াদে তেলের দাম ১২০ ডলার পর্যন্ত যেতে পারে এবং সংঘাত চলতে থাকলে ১৫০ ডলারও ছুঁতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে তেলের বাজার অস্থিরই থাকবে এবং দাম বাড়ার দিকেই ঝোঁক থাকবে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ ব্যাহত থাকলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ সংকুচিত থাকবে। যা ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই-দুটোর দামই বাড়িয়ে দেবে এবং বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়াবে।

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন