© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হতে চলেছেন জ্যাকুলিন

শেয়ার করুন:
সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হতে চলেছেন জ্যাকুলিন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৫২ পিএম | ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
‘সখী, ভালোবাসা কারে কয়! সে কি কেবলই যাতনাময়…’, হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ । প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখরের জন্য থানা-পুলিশ, আদালত অবধি করতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। প্রেমের টানে কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা মামলায় বিতর্কে জড়িয়ে বলিউডের শক্ত পায়ের তলার মাটিও খোয়াতে বসেছেন জ্যাকলিন! তবুও ওই গানের কথা ধার করে নিয়েই সুকেশ-জ্যাকলিনের জন্য বলতে হয়, ‘প্রেম যে কাঁঠালের আঠা লাগলে ছাড়ে না।’ কিন্তু এবার খবর, ২০০ কোটি টাকার আর্থিক জালিয়াত মামলায় সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হতে চলেছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ ।

গত প্রেমদিবসেও জ্যাকলিনকে উড়োজাহাজ উপহার দিয়েছিলেন সুকেশ। আবার ক্রিসমাস উপলক্ষে অভিনেত্রীকে মার্কিন মুলুকে যে বিলাসবহুল বাংলো উপহার দিয়েছিলেন, সেটা আস্ত রাজপ্রাসাদ বললেও অত্যুক্তি হয় না! গর্ব করে সুকেশ বলেছিলেন, এই বাংলো দেখে নাকি খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও হিংসে করবেন জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজকে। কিন্তু কয়েকশো কোটি টাকার উপহার দিয়েও ‘লঙ্কাসুন্দরী’র মন জিততে ব্যর্থ সুকেশ!



বছর খানেক ধরে জেলে থাকলেও জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের প্রতি সুকেশের প্রেমে ভাঁটা পড়েনি। সেখান থেকেই প্রেয়সীর জন্য় কখনও বহুমূল্য উপহার আবার কখনও বা প্রেমমাখা চিঠিপত্র পাঠিয়েছেন। গত প্রেমদিবসেও জ্যাকলিনকে উড়োজাহাজ উপহার দিয়েছিলেন সুকেশ। আবার ক্রিসমাস উপলক্ষে অভিনেত্রীকে মার্কিন মুলুকে যে বিলাসবহুল বাংলো উপহার দিয়েছিলেন, সেটা আস্ত রাজপ্রাসাদ বললেও অত্যুক্তি হয় না! যেখানে রয়েছে নিজস্ব গলফ খেলার মাঠ, সুইমিং পুল-সহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির নানা আসবাব। গর্ব করে সুকেশ বলেছিলেন, এই বাংলো দেখে নাকি খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও হিংসে করবেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজকে। কিন্তু কয়েকশো কোটি টাকার উপহার দিয়েও ‘লঙ্কাসুন্দরী’র মন জিততে ব্যর্থ সুকেশ! এবার তাঁর বিরুদ্ধেই সরকারি সাক্ষী হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছেন জ্যাকলিন। সেই প্রেক্ষিতেই সুকেশ চন্দ্রশেখরের ২০০ কোটি টাকা আর্থিক নয়ছয়ের মামলায় এবার নতুন মোড়।

খবর, সরকারি সাক্ষী হতে চেয়ে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ সম্প্রতি দিল্লির আদালতে আবেদন জানিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট মামলায় তদন্তকারী সংস্থাকে সবরকমভাবে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তিনি। এই মামলার মূল অভিযুক্ত জ্যাকলিনের ‘প্রেমিক’ সুকেশ। প্রায় ২০০ কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারি-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তদন্তে উঠে এসেছে, প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল সুকেশ। যার একটি অংশ বিলাসবহুল উপহার হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে যায় বলেও অভিযোগ। এমনকী মোটা অঙ্কের টাকা গিয়েছিল জ্যাকলিনের কাছেও।

অভিনেত্রী আদালতে আবেদন করার পর বিচারক জানিয়েছেন, অ্যাপ্রুভার হতে গেলে প্রথমে তদন্তকারী সংস্থা অর্থাৎ ইডি’র কাছে নিয়মমাফিক আবেদন জানাতে হবে। সেই অনুযায়ী অভিনেত্রী ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন বলেই খবর। এবার ইডি জ্যাকলিনের বক্তব্য নথিভুক্ত করে সিদ্ধান্ত নেবে, তাঁকে সরকারি সাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা হবে কিনা। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই সংস্থার কাছে জবাবও চেয়েছে আদালত। পরবর্তী শুনানি ২০ এপ্রিল। যদি জ্যাকলিনকে ‘অ্যাপ্রুভার’ হিসেবে গ্রহণ করা হয়, তা হলে এই মামলার তদন্তে যে বড় প্রভাব পড়বে, তা বলাই বাহুল্য। কারণ জ্যাকলিনের বয়ান এই জটিল আর্থিক কেলেঙ্কারির নানা অজানা দিক সামনে আনতে সাহায্য করবে, বলেই মনে করা হচ্ছে।

এসএ/টিএ

মন্তব্য করুন