© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কম্বোডিয়া গেলে আগেই জমা দিতে হবে ‘শেষকৃত্যের খরচ’

শেয়ার করুন:
কম্বোডিয়া গেলে আগেই জমা দিতে হবে ‘শেষকৃত্যের খরচ’
international-desk
১০:৪৭ এএম | ২২ জুন, ২০২০

মোটরসাইকেলের দেশ কম্বোডিয়া। শান্তিপ্রিয় এই দেশে নেই ঝগড়া, মারামারি, হানাহানি। শহরটাও ঝকঝকে তকতকে। শহরের বাড়িগুলো বেশির ভাগই ৩/৪ তলা বিশিষ্ট। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির অ্যাংকরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মধ্যযুগীয় মন্দির।

স্থাপনাটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ মন্দির। ১২শ শতাব্দীতে এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন রাজা ২য় সূর্যবর্মণ। প্রথমদিকে হিন্দু মন্দির হিসেবে ব্যবহৃত হলেও পরে এটি বৌদ্ধ মন্দিরে পরিণত হয়। এছাড়াও দেশটির রাজধানী নমপেনে রয়েছে আরও সুন্দর সুন্দর অনেক বৌদ্ধমন্দির। বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক পর্যটক দেশটিতে ঘুড়তে যায়।

বর্তমানে করোনা মহামারীর মধ্যেও যারা কম্বোডিয়ায় বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাদেরকে ভ্রমণ বাজেটটা আরও বাড়াতে হবে। কারণ, এই পরিস্থিতিতে পর্যটকদের থেকে এককালীন ৩ হাজার মার্কিন ডলার অগ্রিম নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কম্বোডিয়া সরকার।

বাংলাদেশি মুদ্রায় যা দাঁড়ায় প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার সমান। ছুটি কাটাতে গিয়ে কোনো পর্যটক করোনা আক্রান্ত হলে এ জমা অর্থ থেকেই তার চিকিৎসা, এমনকি মারা গেলে শেষকৃত্যের খরচও এখান থেকে বন্দোবস্ত করা হবে। যাতে সরকারের কোষাগার থেকে কোনো টাকা খরচ না হয়। খবর এপি

যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা এপি জানিয়েছে, করোনা সংক্রমণের গোঁড়ার দিকে বেড়াতে গিয়ে কোনো পর্যটক করোনা আক্রান্ত হলে তার যাবতীয় চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা হবে বলে ঘোষণা করেছিল কম্বোডিয়া।

কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আগের অবস্থান থেকে ১৮০ ডিগ্রি পাল্টে ফেলল সরকার। ফলে পকেটে বাড়তি চাপ পড়তে যাচ্ছে পর্যটকদের। চলতি সপ্তাহে কম্বোডিয়া সরকারের অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

তাতে বলা হয়েছে, তাদের দেশে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে ন্যূনতম ৩৮ লাখ টাকার স্বাস্থ্যবিমার নথি দাখিলের পাশাপাশি এবার থেকে পর্যটকদের ৩ হাজার মার্কিন ডলার জমা রাখতে হবে।

বিমানবন্দরে সরকারের বেঁধে দেয়া ব্যাংকের শাখায় নগদ বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে জমা দিতে হবে এ টাকা। ছুটি কাটাতে গিয়ে কোনো পর্যটক করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে বা কোভিড উপসর্গ দেখা দিলে জমা অর্থ তার চিকিৎসার কাজে খরচ করা হবে।

এছাড়া বাধ্যতামূলক করানো টেস্টের যাবতীয় খরচ সরকার কেটে নেবে ওই জমা টাকা থেকেই। কোনো খাতে কীভাবে খরচ করা হবে, তাও কম্বোডিয়া সরকার বিশদে জানিয়ে দিয়েছে।

 

টাইমস/জিএস

মন্তব্য করুন