লিবিয়া থেকে ১৭৪ বাংলাদেশিকে প্রত্যাবাসন
ছবি: সংগৃহীত
০৫:১৯ এএম | ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় বুধবার (২২ এপ্রিল) ত্রিপোলি থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
তারা ত্রিপোলি ও আশেপাশের বিভিন্ন শহর থেকে নানাবিধ ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদগ্রস্ত পরিস্থিতি থেকে স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। তাদের মধ্যে একজন গুরুতর অসুস্থসহ মোট ২৭ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।
প্রত্যাবাসিত অভিবাসীদের লিবিয়ার বুরাক এয়ারের ইউজেড ২২২ ফ্লাইটযোগে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ দূতাবাস প্রাঙ্গণে প্রত্যাবাসিতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের বিদায় জানান। এ সময় দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) প্রকৌশলী মো. আমিনুর রহমান এবং প্রথম সচিব (শ্রম) মো. রাসেল মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যাবাসনের পূর্বে রাষ্ট্রদূত অভিবাসীদের প্রি-ডিপার্চার ব্রিফিং প্রদান করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, দূতাবাস লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবর্তনে আগ্রহীদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। এ সময় তিনি লিবিয়ায় বিপদগ্রস্ত ও পাচারের শিকার বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আন্তরিকতা ও অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন।
এছাড়া অভিবাসীদের বহির্গমন ভিসা সহজীকরণ এবং প্রয়োজনীয় প্রত্যাবাসন ফ্লাইটের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে দূতাবাস লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইওএমর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে বলেও তিনি জানান।
রাষ্ট্রদূত দালালচক্রের মাধ্যমে প্রতারিত অভিবাসীদের দেশে ফিরে সংশ্লিষ্ট প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে তারা আর কাউকে এ ধরনের প্রতারণার শিকার করতে না পারে।
ইউটি/টিএ