© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা, বইছে তীব্র তাপদাহ

শেয়ার করুন:
রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা, বইছে তীব্র তাপদাহ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:০১ এএম | ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
রাজশাহীতে তীব্র তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা চলতি মৌসুমের অন্যতম সর্বোচ্চ। এদিকে টানা বৃষ্টিহীন আবহাওয়া ও উচ্চ তাপমাত্রার কারণে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় নেমে এসেছে স্থবিরতা।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত ১৫ এপ্রিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৫.২ ডিগ্রি। ১৬ এপ্রিল তাপমাত্রা কিছুটা কমে সর্বোচ্চ ৩৪.২ ও সর্বনিম্ন ২৬.২ ডিগ্রিতে নেমে আসে। ১৭ এপ্রিল আবার বেড়ে সর্বোচ্চ ৩৬.৮ ও সর্বনিম্ন ২৫.৫ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়। ১৮ এপ্রিল সর্বোচ্চ ৩৪.৫ ও সর্বনিম্ন ২৬.৫ ডিগ্রি এবং ১৯ এপ্রিল সর্বোচ্চ ৩৪.৫ ও সর্বনিম্ন ২১.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়।

এরপর ২০ এপ্রিল থেকে তাপমাত্রা আবার বাড়তে শুরু করে। এদিন সর্বোচ্চ ৩৭.৬ ও সর্বনিম্ন ২৪.৮ ডিগ্রি ছিল। সর্বশেষ ২১ এপ্রিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দাঁড়ায় ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এবং সর্বনিম্ন ২৬.২ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়। বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এবং সর্বনিম্ন ২৭.৫ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়।

এদিকে এদিকে কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় সব শ্রেণির মানুষ বিপাকে পড়েছেন। শ্রমজীবী মনুষদের এই প্রচণ্ড রোদের মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। রিকশাচালকদের আয়ও কমেছে।

রিকশা চালক মানিক বলেন, আগে যেভাবে ভাড়া পেতাম। এখন মানুষ প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছে না। এ জন্য ঠিকমতো যাত্রীও পাচ্ছি না। গ্যারেজ ভাড়া কীভাবে তুলবো, আর সংসার কীভাবে চালাবো- সেই চিন্তায় পড়েছি।

রাজশাহী নগরীর রানি বাজার এলাকার তাহরিমা খাতুন বলেন, দুপুরে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে বের হয়েছিলাম। রিকশায় যেতে গিয়ে তীব্র তাপদাহে অবস্থা কাহিল।

নগরীর উপশহর এলাকার সাহাবুদ্দিন জানান, গরমে দোকানের ভেতরে বসে থাকাও যাচ্ছে না। কবে এই এলাকায় বৃষ্টি হবে। সেই সঙ্গে ঠান্ডা আবহাওয়া পাওয়া যাবে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম বলেন, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।

এদিকে অবস্থায় সবাইকে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়া, বেশি করে পানি পান করা এবং রোদ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শংকর কে বিশ্বাস বলেন, এই সময় হিটস্ট্রোকসহ বিভিন্ন গরমজনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। তারা প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়া, প্রচুর পানি পান করা এবং রোদে বের হলে ছাতা বা মাথা ঢেকে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন