ওবায়দুল কাদেরের মামলাশহীদ ওসমান হাদীর জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ
ছবি: সংগৃহীত
০৯:২৩ পিএম | ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে করা মামলায় ইনকিলাব মঞ্চের প্রয়াত মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জবানবন্দিকে সাক্ষ্য হিসেবে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ জবানবন্দি গ্রহণ করেন।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান, প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যরা।
হাদির জবানবন্দিটি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আবেদন করে প্রসিকিউশন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মামলার শেষ সাক্ষী তথা তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে হাদির জবানবন্দিও গ্রহণ করা হয়।
এদিন জবানবন্দি শেষ করেন তদন্ত কর্মকর্তা আহমেদ নাসের উদ্দিন মোহাম্মদ। ১৯ এপ্রিল তার জবানবন্দি শুরু হয়। সবমিলিয়ে এ মামলায় মোট সাক্ষ্য দিয়েছেন ২৬ জন।
প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাসের উদ্দিনের কাছে জবানবন্দি দিয়েছিলেন শহীদ ওসমান হাদি। এরপর দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন তিনি। তবে আইনের বিধান অনুযায়ী তার সেই জবানবন্দিকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের জন্য উপস্থাপন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে তা গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ২৬ এপ্রিল দিন ধার্য করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন শহীদ ওসমান হাদি। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ঢাকার পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় তাকে গুলি করা হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান।
চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২।
অন্য আসামিরা হলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।
এমআর/টিকে