© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সাইফের সাবেক স্ত্রী ও কারিনার সম্পর্ক কেমন?

শেয়ার করুন:
সাইফের সাবেক স্ত্রী ও কারিনার সম্পর্ক কেমন?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:৪৪ পিএম | ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
পতৌদি পরিবারের নবাব অভিনেতা সাইফ আলি খান ও অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান বলিউডের অন্যতম চর্চিত দম্পতি। তবে অলিখিত নবাবের সাবেক স্ত্রী অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে কারিনা কাপুরের কোনো সংঘাত ছিল কিনা, তা নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল রয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, সাইফের সঙ্গে যখন তার আলাপ হয়, তখন তিনি একেবারেই সিঙ্গেল ছিলেন। অমৃতার প্রতি আমার অগাধ শ্রদ্ধা আছে, কিন্তু আমাদের কখনো দেখা হয়নি বলে জানিয়েছেন কারিনা কাপুর।

বর্তমানে সাইফ-কারিনা, আমির-গৌরীর মতো ‘ব্লেন্ডেড ফ্যামিলি’ বা মিশ্র পরিবারের সংখ্যা বাড়ছে। এ ধরনের পরিবারে স্বামী বা স্ত্রীর আগের পক্ষের সন্তানদের সঙ্গে বর্তমান স্ত্রী বা তার সন্তানেরাও সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলছেন। একছাদের তলায় না থাকলেও যে কোনো উৎসব-অনুষ্ঠানে সব পক্ষকেই একসঙ্গে উদযাপন করতে দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খান। তাকে দেখা যায় সাবেক স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে নানা অনুষ্ঠানে।

কিন্তু কারিনা সেখানে ব্যতিক্রম। সাইফের দুই পক্ষের ছেলেমেয়েদের একসঙ্গে দেখা গেলেও অমৃতা এবং কারিনাকে কখনোই একসঙ্গে দেখা যায়নি। বর্তমান ও সাবেক স্ত্রী বা স্বামীর মধ্যে সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত? সে প্রসঙ্গে কী বলছেন মনোবিদরা?



মনোবিদদের মতে, বর্তমান ও সাবেক স্ত্রী বা স্বামীর মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব থাকতেই হবে, এমন নয়। তবে যদি সন্তান থাকে, তাহলে ন্যূনতম সৌজন্যবোধ বজায় রাখা জরুরি। সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে কতটুকু যোগাযোগ রাখা হবে, সে বিষয়ে বর্তমান সঙ্গীর সঙ্গে স্পষ্ট কথা বলে নেওয়া উচিত। এ ছাড়া বর্তমান সংসারে সাবেকের গল্প টেনে আনা বা তুলনা করা এড়িয়ে চলাই ভালো। সাবেককে ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ না ভেবে পরিবারের একটি অংশ হিসেবে দেখা উচিত।
তারা আরও বলেন, বাবা-মায়ের সম্পর্কের টানাপোড়েনের বোঝা অনেক সময় সন্তানদের বইতে হয়। যদি বর্তমান ও সাবেক সঙ্গী কোনো অনুষ্ঠানে একই ঘরে অস্বস্তি ছাড়া থাকতে পারেন, তবে সন্তানরাও মানসিকভাবে অনেক বেশি সুরক্ষিত বোধ করে।

এ বিশেষজ্ঞরা বলেন, সন্তানরা বড়দের কথার চেয়ে তাদের আচরণ বেশি লক্ষ্য করে। যদি বড়দের মধ্যে তিক্ততা বা মানসিক যুদ্ধ চলে, সে ক্ষেত্রে সন্তানদের মধ্য অপরাধবোধে ভোগার প্রবণতা দেখা যায়। তারা ভাবে— একজনকে ভালোবাসলে বোধহয় অন্যজনের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করা হচ্ছে। কিন্তু বড়দের মধ্যে যদি সদ্ভাব বা সৌজন্য বজায় থাকে, সে ক্ষেত্রে সন্তানদের সে ভয় কেটে যায়।

এসএ/এসএন

মন্তব্য করুন