© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

এলডিসি উত্তরনে সময় চাইল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন:
এলডিসি উত্তরনে সময় চাইল বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৪৯ পিএম | ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘ইকোসক ফাইন্যান্সিং ফর ডেভেলপমেন্ট ফোরাম ২০২৬’র সাধারণ বিতর্কে তিনি এ দাবি জানান।

নোমান চৌধুরী বলেন, ভূরাজনৈতিক সংঘাত, উন্নয়ন সহায়তা কমে যাওয়া, জলবায়ুজনিত অভিঘাত, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা এবং জ্বালানি খাতের অনিশ্চয়তা উন্নয়নশীল দেশগুলোর নীতিগত পরিসর ক্রমেই সংকুচিত করছে।

এ প্রেক্ষাপটে ’টেকসই ও মসৃণ উত্তরণ’ নিশ্চিত করতে এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ জানায় বাংলাদেশ।

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের দিন ঠিক করা আছে চলতি বছরের ২৪ নভেম্বর। বাংলাদেশ একটি স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে ইউরোপের রপ্তানি বাজারে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা পাচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়ে এলডিসি থেকে বেরিয়ে গেলে সেই সুবিধা আর থাকবে না।

রাষ্ট্রদূত নোমান তার বক্তব্যে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সাম্প্রতিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, ব্যবসায়িক আস্থা পুনর্গঠন, ব্যাংকিং খাত শক্তিশালীকরণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য সরাসরি সহায়তা সম্প্রসারণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

নোমান চৌধুরী বলেন, ঋণের ব্যয় কমানো, অবকাঠামো-সম্পর্কিত অকার্যকর ঋণ পরিহার এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরের মাধ্যমে উৎপাদনশীল ও কর্মসংস্থানমুখী খাতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। পাশাপাশি অধিক প্রতিনিধিত্বশীল বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো গড়ে তোলা, জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং পাচার হওয়া সম্পদ যথাযথ মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া জরুরি।

টিকে/

মন্তব্য করুন